উপজেলা নির্বাচনের পর বাঘার বিএনপি নিষ্ক্রিয়

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৪, ২২:১১
রাজশাহী বাঘা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী পরাজয়ের পর অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে বাঘা বিএনপি। এখানে নির্বাচনের পূর্বে প্রার্থী সিলেকশান নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে যে টানাপড়েন ও ফাটল দেখা দিয়েছিল তা এখন প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। এর ফলে একে অপরের বিরুদ্ধে গাইছে বিষোদগার। ফেব্রুয়ারি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পূর্বে বাঘায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বিএনপি’র মধ্যে একাত্মতা থাকলেও নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্ব-ফেছাদ ও ভোটে পরাজয়ের পর তাদের মধ্যে ফাটল ধরে এবং দলীয় সকল কার্যক্রম প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এখানে উপজেলা বিএনপি’র মতামত উপেক্ষা করে সর্বপ্রথম উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল্লা আল মামুনকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করে জেলা বিএনপি’র সভাপতি নাদিম মোস্তফা ও সাবেক সাংসদ আজিজুর রহমান। এ ঘটনার প্রতিবাদে দু’জন বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গনি মন্ডলের সমর্থকরা ওই দুই নেতার কুশপুত্তলিকা দাহ করে। পরবর্তীতে কেন্দ্র থেকে প্রার্থী পরিবর্তন করে অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেনকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়। আর অপর বিদ্রোহী আব্দুল গনি মন্ডল কেন্দ্রের নির্দেশে প্রচারণা বন্ধ করে। তবে ভোটের একদিন পূর্বে জেলা কমিটি মনোনীত বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল্লা আল মামুনকে দল থেকে বহিষ্কার করায় দলের মধ্যে শুরু হয় ফাটল। দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা জানান, এবার উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী সিলেকশান নিয়ে নিজেদের মধ্যে ক্রোন্দল সৃষ্টি হওয়ায় অবশেষে তারা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। এর ফলে জামানত হারিয়েছে বিএনপি’র দলীয় প্রার্থীসহ দুই বিদ্রোহী। তারা বলছেন, নির্বাচনের পূর্বে যারা ভোট চাইতে এসেছিল ভোটে পরাজয়ের পর তারা ঘরে বসে গেছে। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। আর এসব কারণে দলের সাধারণ কর্মীরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন।