পড়ার বিষয়

প্রফেশনাল কোর্স এসিসিএ

আপডেট : ১৫ মার্চ ২০১৪, ১৯:২১
জাকির এইচ. তালুকদার পুরো বিশ্ব-জুড়ে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারের সাথে এই খাতে বৃদ্ধি পাচ্ছে হিসাব জটিলতা। আর একইভাবে এর সমাধানে শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে আপডেট কারিকুলাম। এধরনের গ্লোবাল এবং সময়োপযোগী প্রফেশনাল কোর্স হচ্ছে এসিসিএ। (ACCA) এবং (CAT) দুটিই প্রফেশনাল কোর্স। এসিসিএ- সিপিএ, সিএ, সিএমএ প্রভৃতির সমমানের। এটি জাতিসংঘ স্বীকৃত এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন আব একাউন্ট্যান্টস এর মেম্বার। সিএ এবং এসিসিএর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সিএ স্থানীয় কারিকুলাম আর এসিসিএ এচ্ছে আপডেট কারিকুলাম। এটি একমাত্র কোর্স যা যেকোনো পর্যায়ে ইংল্যান্ড সহ ১৭৩ দেশে ১০০% ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়। কোর্সটি সম্পন্ন করে বহুজাতিক কোম্পানি, কর্পোরেট অফিসে বিশেষ করে চীপ ফিন্যান্স অফিসার, অডিটর, আন্তর্জাতিক ফার্মে একাউন্টিং পার্টনার, ফিন্যান্স ডিরেক্টর, সিনিয়র ইন্টারনেল অডিটর, বিজনেস এডভাইসর প্রভৃতি পদে চাকরি পাওয়া যায়। বিশ্বের অন্যতম গ্রহণযোগ্য এই প্রফেশনাল বিষয় বাংলাদেশে পরিচালনা করেছে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ। এটি উচ্চ আয়ের পেশাজীবি হবার সাথে গে¬াবাল প্রফেশনালদের কাতারে আসতে অন্যতম কোর্স। এসএসসি/এইচএসসি পাশ শিক্ষার্থীরা সিএটি কোর্সে ভর্তি হতে পারে। CAT করার পর এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এইচএসসি বা ও লেভেল শেষে এফডি-তে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করতে পারে। আবার এ-লেভেল বা যেকোনো বিভাগ থেকে ব্যচেলর ডিগ্রি করা থাকলে সরাসরি এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। করো অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যহতি পেতে পারে।ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা (FD) হচ্ছে এসিসিএ’র এন্ট্রি লেভেলের সুট অব কোয়ালিফিকেশনস যা থেকে শিক্ষার্থীরা পুর্বের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে চমত্কার কোর্স বেছে নিতে পারে। যাদের একাউন্টিং এর বেসিক শক্তিশালী কিন্তু গ্রাজুয়েশন নেই তারা এফডি’র ডিপ্লোমা লেভেল থেকে শুরু করতে পারে এবং শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা লেভেল শেষ করে সরাসরি এসিসিএ’র স্কিল মডিউলে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এসিসিএ-তে একসাথে একটি থেকে চারটি বিষয়ের উপর পরীক্ষা দেওয়া যায়। এর পরীক্ষা পদ্ধতি যথেষ্ট সহজ। কোনো এক বিষয় ফেল করলে এক বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। কোর্সটি ব্রিটিশ কাউন্সিলে পরীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়। পরীক্ষা বছরে জুন এবং ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। তবে কম্পিউটার বেসড পরীরা বছরের যেকোনো সময় হতে পারে। বাংলাদেশে এই কোর্সে সর্বাধিক সাফল্য রয়েছে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের। এদের একাধিক ক্যাম্পাস ছাড়াও রয়েছে নিজস্ব ক্যাম্পাসে কম্পিউটার বেজড পরীক্ষার দেবার সুযোগ। যোগাযোগ, বাড়ি- ৫১, রোড ১০/এ, ধানমন্ডি, ফোন- ৮১৪১৬০১-www.cucedu.com কোর্সটি দ্রুত সময়ে সম্পন্ন করা যায় অনেক কম খরচে। এসএসসি/এইচএসসি’র পর যে কোনো শিক্ষার্থী মাত্র সাড়ে তিন থেকে চার বছরে আন্তর্জাতিক মানের চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট হতে পারে, অর্জন করতে পারে একাউন্টিংস-এ অনার্স ডিগ্রি।