উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে নোয়াখালের উপর অর্ধনির্মিত সেতুর কাজ অনিয়মের কারণে বন্ধ করে দিলেও শুক্রবার থেকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজ আবারো শুরু করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার আইনুর আক্তার পান্না গত বৃহস্পতিবার ২য় দফায় নির্মাণাধীন সেতুটি পরিদর্শনে যান। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের অধীনে ২৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সেতুর নির্মাণ কাজ ফাইলিং, ইটসলিন ও সিসি ঢালাই ছাড়াই দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শাকিল এন্টারপ্রাইজ। ফলে সেতুটির কিছু অংশ নির্মাণের পর সেতুটিতে সৃষ্টি হয় বিশাল ফাটল ও ঢালাই অংশ থেকে পাথর, বালু খসে পড়তে থাকে।
স্থানীয় সিরাজ খা, ইদন আলীসহ ৬৩ জন স্বাক্ষরিত পৃথক অভিযোগ মহাখালিস্থ ত্রাণ, পুনর্বাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সেগুন বাগিচাস্থ দুর্নীতি দমন কমিশনে দেয়া হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ঠিকাদার সাইফুল আলম ডিজাইন ছাড়া নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করার ফলে সেতুটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং সেতুর বিভিন্ন অংশ ধসে পড়ছে। এ ব্যাপারে ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, ডিজাইন, ড্রইং অনুযায়ী সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়নি। ফলে সেতুর অর্ধেক অংশ নির্মাণের পর পরই সেতুটি ধসে যাচ্ছে। নির্মিত অংশ ভেঙ্গে দিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নতুনভাবে সেতু নির্মাণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
