প্রচণ্ড কাজের চাপ, দম ফেলার সময় নেই, মাথাটাও জ্যাম হয়ে আছে। হঠাত্ করে যদি একটু সুযোগ পেয়ে যান বেড়াতে যাওয়ার, হাতছাড়া করতে চাইবেন না কেউ সুযোগটাকে। আর বেড়ানোর জন্য ভালো দুটি মাধ্যম হলো ট্রেন এবং বাস। এর মধ্যে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছতে সবচাইতে সহজলভ্য মাধ্যম হলো বাস। আর এই বাসে বসে ট্যুর করার ক্ষেত্রে কিছু আচরণ করা যেমন অত্যাবশ্যকীয় তেমনি কিছু পরিহার করাও জরুরি। বাসে ভ্রমণের কিছু টিপস রইল এবারের আয়োজনে
যেহেতু আনন্দ উদযাপনই আপনার লক্ষ্য তাই দলের সবার প্রতি সহনশীলতার মানসিকতা বজায় রাখুন।
বাসের সবাই আপনার পরিচিত নয় নিশ্চয়ই। তাই প্রাথমিক আলাপচারিতাটুকু সেরে নিন প্রথমদিকেই।
আগ বাড়িয়ে কেউ পরিচিত হতে এলে গম্ভীর হবেন না; সহনশীল ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিন।
বাসের ট্যুরে টিফিন থাকাটা ব্যতিক্রম কিছু নয়। তাই টিফিন বক্স কিংবা প্যাকেট যাই ব্যবহার করুন না কেন, ব্যবহার শেষে নির্ধারিত স্থানে রাখুন এবং পরে ডাস্টবিনে ফেলার দায়িত্ব অনুভব করুন।
পানির প্রয়োজন পড়তে পারে। সেজন্য পানির বোতল সঙ্গে রাখুন এবং অন্যের প্রয়োজনে পানি সরবরাহ করুন।
বাসে অডিও কিংবা ভিডিও চলতে পারে। আর এতে আপনার বিরক্তি আসাটাও খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। এতে চিত্কার চেঁচামেচি করার কিছু নেই। বরং আপনি ইয়ারফোন ব্যবহার করুন এবং কখনই অফ করতে বলবেন না। কারণ অন্য যাত্রীরা পছন্দও করতে পারে।
বাসে বাচ্চা যদি থাকে আর সে যদি দুষ্টুমি করে তাহলে শিশুটিকে ভদ্রতার সাথে বারণ করুণ যাতে সে বুঝতে পারে এবং তার অভিভাবকরা বিরক্ত না হয়।
যা কিছু করবেন না
অপরিচিত যাত্রীদের সঙ্গে প্রথমদিকেই খুব বেশি ঘনিষ্ঠতা দেখাতে যাবেন না।
বাচ্চা দেখলেই আদর করে কোলে বসাতে চাইবেন না। কিংবা গায়ে কারণ ছাড়া আদর করতে যাবেন না।
কখনই অন্যের অসুবিধা দিয়ে আনন্দ উদযাপন করবেন না।
কিছু খেয়ে তার উচ্ছিষ্টগুলো জানালা দিয়ে ফেলবেন না। এতে উচ্ছিষ্টগুলো উড়ে গিয়ে পিছনের সিটে বসা যাত্রীর গায়ে পড়তে পারে।
কোনো জায়গা ভালো লাগল তো নেমে গেলেন আর কাটালেনও অনেক সময়- এই কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখুন অন্যরা বিরক্ত হতে পারে।
