ঘোড়াশালে শীতলক্ষ্যা নদীর উপর সিগন্যালিংসহ টঙ্গী হতে ভৈরববাজার পর্যন্ত ডাবল রেললাইন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন দ্বিতীয় রেলসেতুর শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব পাশের পিলারে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই একাধিক ফাটল দেখা দিয়েছে। পরে পিলারের ফাটল ঢাকার জন্য রাতারাতি শতাধিক পোষ্টার ও কাগজ লাগিয়ে ফাটল ঢেকে রেখেছে নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠান।
শীতলক্ষ্যা নদীতে নির্মাণাধীন এই ব্রিজের কাজ পরিচালনা করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড। টঙ্গী হতে ভৈরববাজার পর্যন্ত ডাবল রেললাইন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ছোট-বড় ৭৯টি ব্রিজের মধ্যে এটি সর্ববৃহত্ রেলসেতু। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় ২ হাজার ৩৬ কোটি টাকা। তড়িঘড়ি নিম্নমানের কাজ করায় পিলারের কয়েক জায়গায় ফাটল ধরেছে। পিলারের ঢালাই কাজ শেষ হওয়ার দুইদিনের মাথায় ফাটল দেখা দিলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন সিমেন্ট দিয়ে ফিনিশিং করে ফাটল ঢেকে দেয়। পরে বিষয়টি স্থানীয় জনগণের চোখে পড়লে কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি ঢাকার জন্য পিলারের ফাটল স্থানে শতাধিক পোষ্টার লাগিয়ে দেয়। এ বিষয়ে কোম্পানিতে কর্মরত দোভাষী বুলবুল আহম্মেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ঢালাইয়ের ফিনিশিং হয়নি। প্রজেক্টের কনসালটেন্ট আলী নূরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি অবগত নন বলে জানান। গত বুধবার একটি চীনা প্রতিনিধিদল পিলারের ফাটা অংশ পরিদর্শন করলে, পরেরদিন সকালে ফাটা স্থানে তড়িঘড়ি চটের বস্তা ভিজিয়ে তাতে সিমেন্টের প্রলেপ দিয়ে ঢেকে দেয়। কোম্পানির নির্মাণাধীন ঘোড়াশালে রেলসেতুর নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ফাটল দেখা দেয়ায় কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
