বরগুনা পাথরঘাটার সদর ইউনিয়নের পদ্মা গ্রাম এলাকায় কিছু সংখ্যক যুবক লিপ্ত হচ্ছে জলদস্যুতায়। এরা সুন্দরবনের শীর্ষ বাহিনী, জিরো ভাই বাহিনীসহ বেশ কয়েকটি দস্যু বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডাকাতি, জেলে অপহরণের মতো কাজ করছে। এমনকি পদ্মা গ্রামের স্থায়ী যুবক নিজেরা সংঘবদ্ধ হয়ে একটি বাহিনী তৈরি করে সমুদ্রে ডাকাতি করছে।
কিছুদিন আগে রাত ১১টার দিকে মনি, পিতা খালেক মাঝি, শাহজান, পিতা আয়নাল হক, রুস্তুম, পিতা কালাম মুন্সি, সুমন, পিতা ফারুক মোল্লা, রফিক, পিতা মুজাহার বয়াতী, কামাল, পিতা বোস্তা জালাল, রাসেল, পিতা মোস্তফা, হানিফ মুন্সি, পিতা কালাম মুন্সি এসকল যুবকরা মনিরের নেতৃত্বে পদ্মা খালের মধ্য থেকে অস্ত্রসহ একটি ট্রলার নিয়ে সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে চলে যায়। ওই রাতে প্রত্যক্ষদর্শীরা দেখে পাথরঘাটা থানা ও কোস্টগার্ডকে খবর দিলে তাদের কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। পদ্মা এলাকায় যুবকদের বাড়িতে গেলে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। তাদের অভিভাবকদের কাছে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা তাদের সন্তানদের সন্ধান দিতে পারেনি।
এদিকে গত কয়েকদিন আগে পদ্মা গ্রাম থেকে আ. রাজ্জাক, আ. ছালাম, আবু মুসা নামের ৩ জলদস্যুকে জনতা আটক করে পাথরঘাটা থানায় সোপর্দ করে। পরে স্থানীয় খলিলুর রহমান বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। তারা হলো- রুবেল, আ. ছালাম, আবু মুসা, মিন্টু, আ. রাজ্জাক, জামাল সরদার, রহিম, হোসেন ও মালেকসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
পদ্মা ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কালাম জানান, পদ্মা এলাকার যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তারা জলদস্যুর কাজে লিপ্ত হচ্ছে। ট্রলার মালিকরা জেলেরা ভয়ে আমাদের কাছে এসে মুখ খুলছে না। কোন যুবকরা সমুদ্রে ডাকাতি করছে। পদ্মা এলাকায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ খুব জরুরি।
এ ব্যাপারে কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার শহীদ আল আহসান জানান, উপকূলীয় এলাকায় পাথরঘাটা থানা পুলিশের দেখা দরকার। শুনেছি পদ্মা এলাকার কিছু যুবক জলদস্যুতার সাথে জড়িত হয়েছে। পাথরঘাটা থানার ওসি নুরুল হক জানান, জলদস্যুদের ব্যাপারে দায়িত্ব কোস্টগার্ডের।
