বিতর্ক চর্চা প্রসারিত করুন

আপডেট : ২২ মে ২০১৯, ২২:০১

কথা বলা শিখতে মানুষের প্রায় দুই বছর লাগে; কিন্তু কী বলা উচিত আর কী বলা উচিত নয় তা শিখতে লাগে সারা জীবন এবং বিতর্ক চর্চার মাধ্যমে পদ্ধতিগত এই কৌশলকে সহজে রপ্ত করা যায়। দুঃসময়ে নুয়ে পড়া সমাজকে বৈরীক্ষণ পরিস্থিতি মোকাবেলায় এবং সুবাতাসের আভা নিয়ে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার মাধ্যমে যুক্তিবাদী, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন বিতার্কিকরাই পারেন গণতন্ত্র সুসংহত করতে। যেখানে আবেগের বদলে যুক্তি-তর্কের দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ায় প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসে এবং সমাজ-রাষ্ট্র উপকৃত হওয়ার পাশাপাশি যুক্তি, অনুসন্ধান, উপলব্ধি তথা অন্যের মতামতকে সম্মান প্রদর্শনের চর্চার মাধ্যমে চারিত্রিক উন্নয়ন সাধিত হয়। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায়  ছড়িয়ে আছে অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত, অনগ্রসর শিক্ষার্থী যারা বিতর্ক নামক গণতন্ত্রের অলঙ্কার থেকে বঞ্চিত। উপযুক্ত পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে এদের সুপ্ত প্রতিভা ও আত্মশক্তি বিকশিত করতে পারলে এরাই বিশ্বজয়ের কথা বলবে, স্বপ্নের কথা বলবে, রাষ্ট্রের সমৃদ্ধি ও আলোকিত পথ কোন দিকে তার ধারণা প্রদান করবে। সুতরাং বিতর্ক চর্চা শুধু নগরকেন্দ্রিক বা নামকরা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

মো. আশিকুর রহমান

শিক্ষার্থী ও বিতার্কিক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া