জুনে ত্রিমাত্রিক প্রিন্টারের বাজারে আনবে এইচপি

আপডেট : ২২ মার্চ ২০১৪, ১৯:৪৪
প্রিন্টিংয়ের বাজারে একটি বিশ্বস্ত নাম হিসেবেই বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত এইচপি। পিসি নির্মাতা হিসেবেও তাদের স্থান অন্যতম শীর্ষে। তবে মাঝখানে বেশ কিছুদিন বাজারে টিকে থাকার জন্য লড়াই করতে হয়েছে এই জায়ান্টকে। নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে আবারও দাপটের সাথেই বাজারে ফিরে এসেছে এইচপি। এর মধ্যে বিশ্বব্যাপী ত্রিমাত্রিক প্রিন্টার নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। বেশকিছু কোম্পানি ত্রিমাত্রিক প্রিন্টার বাজারজাত শুরু করলেও শীর্ষস্থানীয় প্রিন্টার নির্মাতাদের কেউই এখনও সেইভাবে ত্রিমাত্রিক প্রিন্টারের বাজারে প্রবেশ করেনি। এইচপি এবারে জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে আসছে জুনেই তারা প্রবেশ করতে যাচ্ছে ত্রিমাত্রিক প্রিন্টারের বাজারে। নানা কারিগরি জটিলতার কারণে এতদিন পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে সাধারণ ভোক্তাদের জন্য ত্রিমাত্রিক প্রিন্টার তৈরিতে সমর্থ ছিল না তারা। তবে সেসব জটিলতাকে উের গিয়েই জুন থেকে ত্রিমাত্রিক প্রিন্টার বাজারে ছাড়বে তারা। এইচপি’র প্রধান নির্বাহী গেম হুইটম্যান সম্প্রতি এইচপি’র শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে এইচপি’র এই ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। আসছে জুনে ‘বড় ধরনের প্রাযুক্তিক চমক’ নিয়ে এইচপি হাজির হবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে আমরা যে ধরনের ত্রিমাত্রিক প্রিন্টার দেখেছি, তার অনেক ধরনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের গবেষকরা নিরন্তর প্রচেষ্টার মাধ্যমে এসব অতিক্রম করতে সমর্থ হয়েছে। ফলে বিশ্ববাসীকে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের ত্রিমাত্রিক প্রিন্টিং অভিজ্ঞতা প্রদান করতে এইচপি প্রস্তুত।’ তিনি জানান, বর্তমানেও যেখানে ত্রিমাত্রিক প্রিন্টিং এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যার এবং অন্যান্য উপাদানের বাজার মাত্র ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের, সেখানে আসছে ২০২১ সাল নাগাদ এই বাজার পেরিয়ে যাবে ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর সেই বাজারে গুরুত্বপূর্ণ স্থানটি এইচপি দখলে নিতে পারবে বলেই আশাবাদ মেগ হুইটম্যানের। এইচপি’র ত্রিমাত্রিক প্রিন্টারের বাজারে প্রবেশের বিষয়টি নিয়ে অবশ্য এর আগেও জানিয়েছিলেন এইচপি’র সিটিও এবং ল্যাবের পরিচালক মার্টিন ফিংক। ত্রিমাত্রিক প্রিন্টারের বাজারে প্রবেশের পথে এইচপি অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বলে গত মাসে এক ব্লগপোস্টে জানান তিনি।