বানিয়াচং আ’লীগে সমঝোতা হয়নি সুবিধাজনক অবস্থানে বিএনপি

আপডেট : ২২ মার্চ ২০১৪, ২২:২৯
বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মাস্টার ও সেক্রেটারি ইকবাল হোসেন খান ভোট যুদ্ধে নেমেছেন। এদিকে বিএনপি নেতা আকাদ্দছ হোসেন তালুকদার, ১৯ দলীয় জোটের শরীক দল খেলাফত মজলিশের জেলা সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আবদাল হোসেন খান ও আহমেদুর রহমান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ১৯ দলীয় জোটের প্রার্থী বিএনপি নেতা শেখ বশির আহমদকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবনের প্রচেষ্টায় নেতারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। ৩১ মার্চ এ উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক প্রার্থী করার লক্ষ্যে বর্ধিত সভাসহ উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রের শীর্ষ নেতারা প্রার্থীদের নিয়ে কয়েক দফা সমঝোতার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। সূত্র জানায়, সমঝোতা বৈঠকে আমির হোসেন মাস্টারকে অন্য দুই প্রার্থী ছাড় দিতে রাজি থাকলেও এ ক্ষেত্রে অনড় থাকছেন ইকবাল হোসেন খান। সর্বশেষ সোমবার হবিগঞ্জ শহরস্থ জেলা প্রশাসক অডিটরিয়ামে কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মিছবাহ উদ্দিন সিরাজ প্রার্থীদের নিয়ে সমঝোতা বৈঠকে বসলেও তা শেষমেষ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। বৈঠকে জেলা সভাপতি আবু জাহির এমপি, সেক্রেটারি আবদুল মজিদ খান এমপিসহ তৃণমূল নেতারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া বলেন, আমির হোসেন মাস্টার নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হলে উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য স্থানীয় নেতা-কর্মীরা চাপ দেন। কিন্তু তার হাতে গড়া সেক্রেটারি ইকবাল খানের অনুরোধে ছাড় দিয়ে তাকে গত নির্বাচনে বিজয়ী করেছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মোতাব্বির মিয়া বলেন, ইকবাল খানের রাজনীতিক গুরু হলেন আমির হোসেন মাস্টার। গুরুকে ছাড় দেয়ার জন্য উপজেলা ও জেলার শীর্ষ নেতারা ইকবাল খানকে বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছেন।