শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট থানার গাজিপুর গ্রামের ইউসুফ আলীর পুত্র মুক্তিযোদ্ধা র্বিউল ইসলাম ওরফে বর্নু মিয়া আজও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাননি। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়ার সার্টিফিকেট ও প্রমাণাদি থাকলেও তিনি সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ভারতের ২৪ পরগনার চাপাবাড়িয়া মুক্তিফৌজ ক্যাম্পে ১৯৭১ সালের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি ভারতের বয়রা এলাকায় থেকে পাকিস্তানী হানাদারবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। যুদ্ধ শেষে চাঁপাবাড়িয়া ক্যাম্প ইনচার্জ এম এ খালেক স্বাক্ষরিত সনদপত্র দেন বর্নু মিয়াকে। তার মুক্তিযোদ্ধা সনদ নম্বর ১৭৭৩। তিন মেয়ে ও এক পুত্রসন্তান আর নাতি-পুতি নিয়ে দারুণ কষ্টে আছেন তিনি। এদিকে দিনমুজর বর্নু মিয়া জানায়, আজ আমার দেখার কেউ নেই। আমি এবং আমার স্ত্রী আজ নানা রোগে আক্রান্ত। একমাত্র পুত্র আদম আলী মটর শ্রমিক। সেও দু’বার অপারেশন করে পড়ে আছে সংসারে। অর্ধাহার-অনাহারে দিন চলে বর্নু মিয়ার। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া বর্নু মিয়া অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে জানালেন- আজ পর্যন্ত কোন সরকারি সাহায্য কিংবা সন্মানী ভাতা পাননি।
