নিমন্ত্রণ নিয়ে আমাদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝির অন্ত নেই। ঠিকমতো আতিথেয়তা করা হয়নি অথবা তাকে একা নিমন্ত্রণ করা হয়েছে নাকি সপরিবারে এমন নানা বিষয় নিয়ে দ্বিধায় থাকেন অনেকেই। এসব নিয়েই আজকের আয়োজনটি লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম
নিমন্ত্রণের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যেটি দেখা যায় সেটি হলো বিয়ের দাওয়াত। ‘বিয়ে’ আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বিয়ে সাধারণত জীবনে একবারই হয়। আর এই বিশেষ অনুষ্ঠানটিকে সবাই চাই ধুমধাম করে পালন করতে। বিয়ে নিয়ে দুই পরিবার, আত্মীয়-বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী সবাই উন্মুখ হয়ে থাকেন নবদম্পতিকে শুভকামনা জানাতে। কিন্তু সবাই কি এমনিতেই চলে আসবে, তাদেরতো দাওয়াত পাঠাতে হবে। আর তাই এসবের জন্য দাওয়াতপত্র তৈরি করতে হয় খুব যত্নের সাথে। তাড়াহুরো করতে গেলে অনেক সময়ই ভুল হয়ে যেতে পারে আর তাতে মনোক্ষুণ্ন হতে পারেন কোনো আত্মীয়। প্রযুক্তির এই যুগে অনেক কাজ সহজ হয়ে গেছে, তবে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রেখেছে বিয়ের কার্ড। একটি সুন্দর কার্ড দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হলে অতিথি সম্মানিত বোধ করেন। সেই সঙ্গে বাড়ির কর্তার রুচি এবং আভিজাত্যও প্রকাশ পায়।
নিমন্ত্রণ গ্রহণের রীতি
নিমন্ত্রণ অবশ্যই আন্তরিকতার সাথে, আনন্দের সাথে গ্রহণ করুন।
যেতে পারি, চেষ্টা করব—এসব না বলে যেতে পারবেন কি না সেটা স্পষ্টভাবে নিমন্ত্রণকারীকে জানিয়ে দিন।
কার্ড বা অন্য কোনো মাধ্যমে নিমন্ত্রণ এলে সাথে সাথে যোগাযোগ করুন এবং অবশ্যই কৃতজ্ঞতা জানান।
নিমন্ত্রণকারীর কাছে থেকে তারিখ, সময়, স্থান ভালোমতো জেনে নিন; যাতে নিমন্ত্রণের দিন কোনো সমস্যা না হয়।
জন্মদিনের কোনো অনুষ্ঠান হলে কার জন্মদিন, কত বছর বয়স—এসব অবশ্যই জেনে নিবেন।
নিমন্ত্রণ দেওয়া
কোনো অতিথি কিংবা আত্মীয়কে নিমন্ত্রণ জানাতে গেলে অবশ্যই কার্ড দিয়ে বা ফোন দিয়ে জানিয়ে দেন।
খেয়াল রাখতে হবে যে যাকে নিমন্ত্রণ করছেন তাকে অনুষ্ঠানের দিন তারিখ ও স্থান ঠিকমতো জানিয়ে দিতে হবে নাহলে অনুষ্ঠানের দিন তাদের আসতে সমস্যা হতে পারে।
অনুষ্ঠানের কিছুদিন আগে জানিয়ে রাখার চেষ্টা করুন। হুট করে কাউকে দাওয়াত দিতে গেলে সে তার কাজের কারণে নাও আসতে পারেন। এজন্য তাকে আগেই জানিয়ে রাখুন যাতে তার প্ল্যান করতে কোনো সমস্যা না হয়।
