স্মারকে মার্চ

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৪, ১৯:৫২
আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস সবসময়ই গর্বের। আমরা প্রতিটি কাজের মধ্যে দিয়ে আমাদের এই ইতিহাসকে তুলে ধরে থাকি। বিশেষ করে স্বাধীনতার মাসে এবং বিভিন্ন জাতীয় দিবস যেমন একুশে ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর ইত্যাদি দিবসকে উপলক্ষ করে আমরা বিভিন্ন কাজের মধ্য দিয়ে আমাদের এই গর্বিত ইতিহাসকে তুলে ধরে থাকি। যেমন স্বাধীনতার স্মারক হিসেবে শাড়ি, ফতুয়া, টি-শার্ট, পাঞ্জাবি, চাবির রিং, মগ, কার্ড, বই, দেশাত্মবোধক গানের সিডিসহ আরও অনেক কিছু। এই কাজগুলো করে থাকে আমাদের দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসগুলো। বর্তমান তরুণ-তরুণীদের কাছেও বর্তমানে এ সবের চাহিদা অনেক বেশি। তারা এখন স্বাধীনতার থিমে সাজানো রাঙানো পণ্যসামগ্রীকেই বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বর্তমানে জাতীয় পতাকা অঙ্কিত টি-শার্ট বিভিন্ন মহলে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন মগে আমাদের এই গর্বিত ইতিহাস সংশ্লিষ্ট নানা ছবি যেন নতুন করে আমাদের প্রজন্মকে স্মরণ করিয়ে দেয় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। বিভিন্ন চিত্রশিল্পীর আঁকা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ছবি নিয়ে বইও বের করছে আমাদের বিভিন্ন হাউসগুলো। বিভিন্ন পোশাকের ক্ষেত্রে সবাই জাতীয় পতাকার থিমে নানা ডিজাইন করেছে, শুধু তাই নয়, লাল-সবুজের মিশ্রণে অনেক ডিজাইনই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সামনে নিয়ে আসছে পরোক্ষভাবে। শাড়ির ডিজাইনের ক্ষেত্রেও লাল সবুজের আবেশে মোড়ানো আল্পনাগুলো যেন আমাদের স্বাধীনতার চেতনারই প্রতিনিধিত্ব করছে। পাঞ্জাবিতেও লাল ও সবুজ রং দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে নানা স্মৃতিমুখর সময়গুলো। মাথায় বাধা লাল সবুজের ব্যান্ডেনাও পাওয়া যাচ্ছে এখন বিভিন্ন হাউসগুলোতে। এ ছাড়াও গানের সিডি, চাবির রিং, কার্ডও তৈরি হচ্ছে লাল-সবুজের আবেশে। দামের ক্ষেত্রেও এইসব জিনিসগুলো যথেষ্ট সাশ্রয়ী। বর্তমান সময়ের বিভিন্ন পণ্যের স্ব-স্ব ক্ষেত্রে তাদের নিজ নিজ তুলনায় এ সব পণ্য তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। আর এই সব পণ্যগুলো নিয়ে আসছে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসসহ নানা প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, সাদাকালো, বাংলার মেলা, রঙ, নিত্যউপহারসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।