কফি মানুষের দেহ মনকে সতেজ করে, ক্লান্তি কাটিয়ে ফিরিয়ে আনে কর্মোদ্যম। কিন্তু সম্প্রতি দেখা গেছে, অতিরিক্ত কফি খাওয়ার ঝুঁকিটাও বেড়ে যাচ্ছে। কফি বা কোলা জাতীয় পানীয়তে ক্যাফেইন থাকায় স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে, শরীরে জন্ম নিতে পারে অনেক বড় বড় অসুখ। অনেকেই দেখা যায়, কারণে অকারণে কফি গ্লাস হাতে। এটা অনেকটা অভ্যাসের মতো কিন্তু আপনার এই বদভ্যাসই একদিন আপনার শরীরের সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা করে ফেলতে পারে। তাই অতিরিক্ত কফি খাওয়ার প্রবণতা থেকে নিজেকে মুক্ত করুন, সেজন্য রইল এবার কিছু টিপস
অতিরিক্ত কফি পান করবেন না
কফি খাবার থেকে আয়রন শোষণ করে। কারণ কফিতে আছে পলিপাইনেজল এবং তানিম নামক উপাদান, যা আয়রন শোষণ করে বা তানিমের সাথে আয়রন মিশে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ফলে শরীরে প্রয়োজনীয় আয়রন, মিনারেলের অভাব হয়ে এনেমিয়া বা রক্তশূন্যতা হতে পারে।
কফি শরীরে থায়ামিন বা ভিটামিন বি শোষণ রোধ করে, ফলে বেরিবেরি হতে পারে।
কফি খাবার থেকে আমিষ ও ভিটামিন শোষণ করে এবং তারপর শরীর এই খাবারগুলোকে হজম করতে পারে না।
কফিতে অ্যাসিডিয়াম তান্নাসিয়াম এবং থিওপাইলাইন নামক উপাদান থাকে, যেগুলো পাকস্থলীর ও ইটেস্টটাইনের অ্যাসিড বা জুইসি পাতলা করে হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত করে।
কখন কফি পান করবেন
তাহলে কি কফি পান করা বাদ দিবেন? অবশ্যই না। কারণ চা/কফি পান করার অনেক ভালো দিক আছে। তাই কফি পান করবেন খাবার খাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে অথবা খাবার খাওয়ার এক ঘণ্টা পরে। খাবারগুলোকে শরীর ঠিক মতো হজম প্রক্রিয়া শেষ করে পুষ্টি উপাদানগুলো পাওয়ার পরে চা পান করা উচিত। সকালের, দুপুর বা রাতের খাবারের ১-২ ঘণ্টার পরে কফি পান করলে ভালো।
মডেল দোলা
