প্রতি দু ঘণ্টায় একবার খাওয়া

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৪, ১৯:৫৪
খাবারের ব্যাপারে তরুণরা প্রায়ই উদাসীন থাকে। অথচ তারুণ্য মানেই বেড়ে উঠার সময়। কিন্তু এ সময়টাতেই খাওয়া-দাওয়া নিয়ে ঘটে নানা ঝামেলা। কখন কতটুকু খাবার খাওয়া উচিত বা কখন কোন খাবারটি খাওয়া উচিত না—এ নিয়ে খুব বেশ সচেতনতা তরুণদের মধ্যে দেখা যায় না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দরকার প্রতি দু ঘণ্টায় একবার কিছু না কিছু খাওয়া। এ নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন অলস শরীর নিয়ে ঘুম ঘুম চোখ খুলে দেখেন সকালের প্রথম আলো। বিছানা ছেড়ে এক কাপ গরম চাসহ খবরের কাগজে চোখ বুলিয়ে শুরু হয় দিন। এমন অবস্থা থেকে বুঝা যায় ঘুম থেকে উঠা আর চা খাওয়া আপনার জন্য মোটামুটি সমার্থক। কিন্তু সকালের চা কিংবা কফি আপনার ব্লাড প্রেসার, হার্ট রেট বাড়িয়ে শরীরকে স্ট্রেসড করে তোলে, যার ফলে এসময় এনার্জেটিক বোধ করলেও হজম এবং ফ্যাট বার্নিংয়ের ক্ষেত্রে তা একেবারেই কার্যকর নয়। শরীরকে ফিট রাখার জন্য চা বা কফি নয়, প্রয়োজন খাবার। চা বা কফি খিদে অনেকটাই কমিয়ে দেয় বলে সকালে নাস্তা করতে ইচ্ছে করে না। যে সময়ে শরীরের এনার্জি প্রয়োজন তখন সঠিক খাবার না পেলে সারাদিন ক্লান্ত, বিরক্ত লাগবেই। সেজন্য সকালটা শুরু করুন যেকোনো একটি ফল দিয়ে। তারপর এক ঘণ্টার মধ্যে নাস্তা করুন। যা খেতে ইচ্ছে করে এই সময়ই খেয়ে নিন। সারাদিনের এনার্জি এই সময়েই পেয়ে যাবেন। নাস্তা থেকে শুরু করে প্রতি দু ঘণ্টায় একবার খেলে আপনার শরীর এই খাবার হজম করার কাজে লেগে পড়বে। খাবারকে ভেঙে ফেলা, হজম করা, শরীরে শুষে নেওয়া—প্রত্যেকটা কাজের জন্যই ক্যালরি বার্নিং হয়। সেজন্য ক্যালরি প্রয়োজন। যতবারই খাচ্ছেন ততবারই আপনার ক্যালরি বার্ন হচ্ছে। কিন্তু তাই বলে দু ঘণ্টা অন্তর খাওয়া মানেই প্রতিবার একগাদা খাওয়া নয়। নিয়ম মেনে খেতে হবে। বারবার খাওয়ার ব্যাপারটা যতটা জটিল মনে হচ্ছে একটু প্ল্যান করে এগোলে কিন্তু ততটা নাও মনে হতে পারে। দিনের প্রধান তিনবার খাওয়ার সময় (সকাল-দুপুর-রাত) খাবার তালিকা থেকে কিছু বাদ দিয়ে এই কয়েক ঘণ্টা পর পর খাবার তালিকায় তা যোগ করলে উদ্দেশ্য হাসিল হবে সহজেই। সহজ টিপস  সকালে উঠে চা-কফির বদলে প্রথমে কোনো খাবার খেলে সারাদিনে ওভার টাইমিংয়ের সমস্যা অনেকটাই কমবে।  প্রতি দু ঘণ্টায় একবার খেলে শরীর ফ্যাট বার্ন করার অনুকূল পরিবেশ পায়  বারবার খেলে অসময়ে খিদে পায় না। ফলে সে খিদে নিবারণের জন্য বাইরের নানা ফ্যাটযুক্ত খাবার খাওয়ারও প্রয়োজন হয় না।  বারবার খেলে ব্রেন নিয়মিত সুগারের জোগান পায়। এর ফলে চিন্তা ভাবনায় সুবিধা হয়।