প্রতিনিয়তই পাল্টে যাচ্ছে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট। বদলে যাওয়া এই প্রেক্ষাপটে চাহিদা বেড়েছে ব্যবসায় ও বাণিজ্যসংক্রান্ত পড়ালেখার। তাই যুগের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে এমবিএ ডিগ্রি। প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত সব যোগ্যতা অর্জিত হয় এই ডিগ্রি গ্রহণের মাধ্যমে।
এমবিএ কী :এমবিএ হলো মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। বাণিজ্য অনুষদের অধীনে এমবিএ পড়ানো হলেও এটি মূলত মাল্টিডিসিপ্লিনারি একটি কোর্স। ব্যবসায় বা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য যা যা প্রয়োজন তার সবকিছুই পড়ানো হয় এতে। যে বিষয়গুলোয় এমবিএ করা যায় তার মধ্যে আছে ফিন্যান্স, ব্যাংকিং, বিপণন, ব্যবস্থাপনা, হিসাবরক্ষণ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, পর্যটন ও হোটেল ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। এ ক্ষেত্রে সাধারণত একটি বিষয়কে মেজর বা প্রধান হিসেবে বেছে নিতে হয়। সাধারণত এমবিএ পড়ার জন্য তিন ধরনের প্রোগ্রাম আছে—রেগুলার এমবিএ, এক্সিকিউটিভ এমবিএ এবং সান্ধ্যকালীন এমবিএ। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য রেগুলার এমবিএ ও চাকরিজীবীদের জন্য সান্ধ্যকালীন এমবিএ’র কোর্স ডিজাইন করা হয়।
সময়ের চাহিদা মিটিয়ে দক্ষ জনবল তৈরির জন্য যাত্রা শুরু করে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুুরি কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত এ ইউনিভার্সিটির প্রধান ক্যাম্পাস কাওরানবাজারে অবস্থিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ ও সিনিয়র অধ্যাপকদের পরিচালনার ফলে শিক্ষার্থীদের কাছে এটি ক্রমেই গ্রহণযোগ্যতা লাভ করছে। সময়ের চাহিদাপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে এমবিএ পড়ানো হয় এখানে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রয়েছে রয়েছে বিষয়সংশ্লিষ্ট পাঠ্য বইয়ে সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, এসি ক্লাস রুম, ডিবেটিং ক্লাব, কালচারাল ক্লাব এবং স্পোর্টস ক্লাব। ফলে পড়ালেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা এখানে সহপাঠ্য বিভিন্ন কার্যক্রমেও অংশ নিতে পারে। এতে করে তাদের মানসিক বিকাশের পথ প্রশস্ত হয়। ৯১২৩৫৭০, ০১৭৬৭৭৭৭২২২ নম্বরে ফোন করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা এবং অন্যান্য বিষয়ে জেনে নিতে পারবেন।
বৃত্তির সুযোগ :এসএসসি ও এইচএসসিতে (চতুর্থ বিষয় ছাড়া) উভয় পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা জিপিএ ১০ পেলে টিউশন ফিতে ৮০ শতাংশ, জিপিএ ৯-৯.৯৯ পেলে ৫০ শতাংশ, জিপিএ ৮-৮.৯৯ পেলে ২৫ শতাংশ এবং জিপিএ ৭-৭.৯৯ পেলে ১০ শতাংশ ছাড় পাওয়া যাবে। এখানে দুই বছর মেয়াদি সান্ধ্যকালীন এমবিএ কোর্সের মোট খরচ ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা। ফল, স্প্রিং ও সামার তিন সেশনে এখানে ভর্তি হওয়া যায়।
যোগাযোগ :৭১, কারওয়ানবাজার, তেজগাঁও, ঢাকা।
