উদ্ভিদ বিজ্ঞান
অলোক কুমার মিস্ত্রী,প্রভাষক, জীববিজ্ঞান বিভাগ
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ, পিরোজপুর
গতকালের পর
পরিচ্ছেদঃ ১.৫ Kingdom- Fungi (ছত্রাক)
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ঃ ১
১। Penicillium কী ? ***
২। মাশরুম/ Agaricus / ফ্রুডবডি কী ? ***
৩। ফ্রুকটিফিকেশন কী ?
৪। ব্যাঙের ছাতা কী ? ** ৫। ঈস্ট ছত্রাকটির বৈজ্ঞানিক নাম কী ? * ৬। Penicillium এর পুষ্টি কোন প্রকৃতির ? **
অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ঃ ২
১। Penicillium কে সবুজ বা নীল ছত্রাক বলা হয় কেন ? *** ২। Algae ও Fungi এর মধ্যে ২টি পার্থক্য লেখ। *** ৩। Saccharomyces গণকে বার্ডিং ঈস্ট বলা হয় কেন ? *** ৪। Agaricus এর উল্লেখযোগ্য ২ টি বৈশিষ্ট্য লেখ। ৫। ঈস্ট ও পেনিসিলিনের মধ্যে ৪ টি পার্থক্য লেখ।** ৬। বিষাক্ত মাশরুম চেনার উপায় কী ? *** ৭। খাদ্য হিবাবে মাশরুমের উপকারিতা কী কী ? ** ৮। মাইসেলিয়াম কী ? ব্যাখ্যা কর।
প্রয়োগমূলক প্রশ্ন ঃ ৩
১। উদ্দীপকে বর্ণিত ছত্রাকটির গঠন/ চিত্রসহ Agaricus ফ্রুডবডির গঠন বর্ণনা কর।***
২। উদ্দীপকে আলোচিত প্রজাতিটির জীবনচক্র কীভাবে সম্পন্ন হয়,ব্যাখ্যা কর।/ Saccharomyces ঈস্ট এর haplobiontic জীবনচক্র বর্ণনা কর।***
৩। পাউরুটি তৈরিতে ব্যবহূত ঈস্ট ছত্রাকটির চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করে গঠন বর্ণনা কর। ***৪। উদ্দীপকে অঙ্কিত Penicillium এর গঠন/ দৈহিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।/ Penicillium এর দৈহিক গঠন বর্ণনা কর।***
৫। ধানের পাতার বাদামী রোগের লক্ষণ ও দমন প্রক্রিয়া লেখ।/ ধানের পাতার চিহ্নিত রোগটির কারণ ও লক্ষণগুলো লেখ।** ৬। ঈস্ট এর বাডিং পদ্ধতি লেখ। **৭। একটি মাশরুমের চিত্র এঁকে এর বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত কর। ***
৮। মাশরুম ও ঈস্টের অর্থনৈতিক গুরুত্ব লেখ। ***
উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্ন ঃ ৪
১। উদ্দীপকের জীবটিকে উপকারী জীব বলা যায় কী ? - তোমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও/Saccharomyces ঈস্ট এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব উল্লেখ কর।*** ২। ধানের জমিতে রোগটি নিয়ন্ত্রনে তোমার সুপারিশ প্রদান কর।/ ধানের পাতার বাদামী রোগ দমন কৌশল উল্লেখ কর।** ৩। উদ্দীপকের আলোচিত ছত্রাকটি রুটি শিল্প ছাড়াও অন্য কোন শিল্পে ব্যবহার করা যায় কি না- বিশ্লেষণ কর।/ রুটি শিল্প ছাড়া ঈস্ট আর কী কী উপকারে আসে ?/ ঈস্ট এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব উল্লেখ কর।*** ৪। উদ্দীপকের Penicillium নামক চিত্রটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব আলোচনা কর।/ আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং এর আবিস্কৃত ছত্রাকটি আমাদের জীবনে কী উপকারে আসে ? *** ৫। মাশরুমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব / কার্যকারিতা মূল্যায়ন/ উপকারি দিক আলোচনা কর।***
৬। ঈস্টের কোন ধরনের জীবনচক্র দেখা যায়?-বিশ্লেষণ কর।** ৭। ঈস্ট ছত্রাকটি কীভাবে আমাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে ?-বিশ্লেষণ কর।***
পরিচ্ছেদঃ ১.৬ Kingdom- Plantae (প্লান্টি)
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ঃ ১
১। জনুক্রম ক ী ? *** ২। জীবন্ত জীবাশ্ম কী ? *** ৩। ফার্ণ প্রোথেলাস কী ? *** ৪। Cycas এর কোরালয়েড মূল কী ?** ৫। হর্স টেইল কী ? **
৬। আর্কিগোনিয়াম কী ? ** ৭। প্রোটোনেমা কী ?
৮। র্যামেন্টা কী ?
অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ঃ ২
১। বাংলাদেশে কোন প্রজাতির Cycas জন্মে ? *** ২। Cycas এর কোন মূলকে কোরালয়েড মূল বলা হয় ? **
৩। Cycas কে জীবন্ত জীবাশ্ম / ফসিল বলা হয় কেন ? *** ৪। Bryophyta এর জনুক্রম অসম আকৃতির কেন? **
৫। Pteris এর গ্যামিটোফাইট কী নামে পরিচিত ?
৬। Riccia উদ্ভিদটির ৪টি বৈশিষ্ট্য লেখ। **
প্রয়োগমূলক প্রশ্ন ঃ ৩
১। ফার্ণ প্রোথেলাস প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন কর। *** ২। ফার্ণ প্রোথেলাসের বৈশিষ্ট্য লেখ।
৩। Semibarbula ক্যাপসুলের লম্বচ্ছেদ বর্ণনা কর। *** ৪। Semibarbula এর আর্কেগোনিয়াম ও অ্যান্থেরিডিয়াম এর গঠন বর্ণনা কর। **
উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্ন ঃ ৪
১। মসের জীবনচক্রে প্রোটোনেমার তাত্পর্য বিশ্লেষণ কর। ২। Pteris এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব আলোচনা কর। **
৩। Semibarbula এর নিষেকক্রিয়া বিশ্লেষণ কর। *** ৪। Semibarbula এর গ্যামিটোফাইটিক পর্যায়টি বিশ্লেষণ কর। **
পরিচ্ছেদঃ ১.৭ গোত্রের বৈশিষ্ট্যের বিভিন্নতা
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ঃ ১
১। অমরাবিন্যাস কী ? *** ২। পুষ্পপ্রতীক কী ? *** ৩। মাতৃঅক্ষ কী ? *** ৪। পুষ্পসংকেত কী ? ***
৫। মঞ্চরীপত্র কী ?
অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ঃ ২
১। জবা ফুলকে লাল দেখায় কেন ? ২। Lilliaceae গোত্রের পুষ্পীয় বৈশিষ্ট্য লেখ। *** ৩। পুষ্পসংকেত লেখার ক্ষেত্রে গর্ভাশয়কে কীভাবে উপস্থাপন করতে হয় ? ** ৪। Lilliaceae গোত্রের সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য লেখ।***
৫। ধুতুরা ফুলের বীজ কী কাজে লাগে ?
৬। অধিগর্ভ গর্ভাশয় বলতে কী বুঝ ? **
প্রয়োগমূলক প্রশ্ন ঃ ৩
১। জবা,সরিষা ও ধুতুরা ফুলের পুষ্পপ্রতীক অংকন কর। ** ২। চিত্রের মাধ্যমে লিলিয়েসি গোত্রের সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য লেখ। ৩। Lilliaceae ও Cruciferae গোত্রের পুষ্পপ্রতীক ও সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য লেখ। **
উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্ন ঃ ৪
১। সরিষা ফুলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব আলোচনা কর। ২। Lilliaceae ও Cruciferae গোত্রের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর। ** ৩। পুষ্প সংেকেতটি ব্যাখ্যা করে এর বৈজ্ঞানিক নাম লেখ ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর। ***
পরবর্তী অংশ আগামীকাল
মাধব রায়,
সহকারী অধ্যাপক (পদার্থবিদ্যা)
ব্লু-বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ, মিরের ময়দান, সিলেট
গল্প-কথায় পদার্থবিজ্ঞান
পর্ব— ১
কণিকাদের ছাদে সবাই এসে জড়ো হয়েছে। সীমা, বিন্দু, চন্দ্রা, অণু, আকাশ সবাই। আকাশ এবং চন্দ্রা বেড়াতে এসেছে কণিকাদের বাড়ি। এটি তাদের মামাবাড়ি। সবাই মিলে চাঁদনী রাতে ছাদে উঠে এসেছে। বেশ আড্ডা জমেছে। রেখা একটা রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে শোনালো— আজ জ্যোছনা রাতে সবাই গেছে বনে। গান শেষে সবাই হাততালি দিলো সানন্দে। এরই মধ্যে নীলকান্তবাবু ছাদে উঠে এলেন। তাঁর হাতে একটা প্যাকেট। এতে বেশ কয়েকটা স্যান্ডউইচ, ভাগনা-ভাগনি, ছেলেমেয়েদের নিয়ে খাবেন বলে। প্যাকেট দেখে সবাই খুশি। কী রয়েছে এতে ! নীলকান্তবাবু বললেন বলোতো এতে কী ? মিষ্টি, বললো সীমা। বিন্দু বললো— বাখরখানি, চন্দ্রা বললো— না মামা, এতে বার্গার। সবাই যে যার মতো করে বলছে। এতে করে কার কী পছন্দ সেটিও প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে। নীলকান্তবাবুর স্ত্রী কমলা বললেন— মনে হয় এতে সিঙ্গাড়া। আকাশ হঠাত্ করে মামার হাত থেকে প্যাকেটটা নিয়েই খুলে ফেললো। বললো— কেউ বলতে পারোনি, এতে স্যান্ডউইচ। চন্দ্রা আকাশের দুই বছরের বড়। সে বললো, মামির হাতে দিয়ে দে আকাশ, মামি সবাইকে দেবেন। মামি বললেন— না না, থাকুক ওর হাতে। আকাশ বললো— আমি সবাইকে একটা করে দেবো। অণুদা, তুমি প্যাকেটটা হাতে করে ধরো তো, আমি দিচ্ছি। অণু এগিয়ে গেলো। বললো প্যাকেটটা তো বেশ ভারি। কত কেজি হবে এখানে ? আকাশ বললো— পাঁচ কেজি হবে। ধুর বোকা— বললো অণু। দুই কেজি হবে কিনা সন্দেহ। সীমা বললো— চল মেপে নিই। নিচে আমাদের ওয়েট মেশিন আছে। মামি ধমক লাগালেন— না না। কাজ নেই বুঝি তোমাদের ! সবাইকে একটা করে দিয়ে দাও।
অণু প্যাকেট হাতে নিয়ে হাঁটছে, আর আকাশ দিচ্ছে সবাইকে। বিলিয়ে দেয়া শেষ হলে অণু প্যাকেটটা ছাদের মেঝেতে রাখলো। হাত ধরে গেছে একেবারে। বললো— বাবা, এতে কয় কেজি হবে ? নীলকান্তবাবু বললেন— তা তো জানি না। আমিতো বলেছি বিশটা স্যান্ডউইচ দাও। কয় কেজি হবে তা তো জিজ্ঞেস করিনি।
আকাশ বললো— আচ্ছা মামা, এক কেজিতে কতটুকু হয় ?
অণু বললো— তাও জানিস না ? একটা লোহার বাটখারা আছে না, এক কেজি লিখা আছে, এতেই এক কেজি হয়।
আকাশ বললো—কিন্তু এই বাটখারাতেই এক কেজি কীভাবে হলো ? আমি যদি আরো একটা পাথর এনে বলি এক কেজি ? তাহলে সবাই মানবে ?
অণু হাসতে লাগলো। বললো, তাহলে তো আমি একটা ছোট পাথর এনে বলবো এটিতে এক কেজি।
আকাশ বললো— কথাটা একই। যে যেরকম সুবিধা পাথর এনে বলবে এতে এক কেজি। তখনতো মারামারি বেঁধে যাবে।
নীলকান্তবাবু বললেন— তোরা ঠিকই বলেছিস। কেউ বড়, কেউ ছোট পাথর নিয়ে এসে এক কেজি বললে চলবে না। এর জন্য সবাই মিলে ঠিক করেছে কতটুকু হলে এক কিলোগ্রাম বা এক কেজি হবে, এবং পৃথিবীর সবাই তা মেনে নিয়েছে।
বিন্দু বললো— কীভাবে ঠিক করেছে বাবা ?
নীলকান্তবাবু বললেন, তাহলে শোন। 1960 সালে ফ্র্যান্সের স্যাভ্রে নামক স্থানে ‘ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অব ওয়েটস এন্ড মেজারস’—এ একটি দণ্ড রাখা হয়েছে। এটি প্লাটিনাম-ইরিডিয়ামের সংকর ধাতুর তৈরি।
সংকর ধাতু কী বাবা ? বললো রেখা।
সংকর ধাতু হলো কয়েকটি ধাতুর মিশ্রণ। যেমন তামা ও দস্তার সংমিশ্রণে সংকর ধাতু হলো পিতল।
ও আচ্ছা ! বিজ্ঞের মতো বললো আকাশ।
নীলকান্তবাবু বললেন— সেই প্লাটিনাম-ইরিডিয়ামের সংকর ধাতুর তৈরি একটি সিলিন্ডার, যার ব্যাস এবং উচ্চতা দুটোই 3.9 সেন্টিমিটার, বিজ্ঞানীরা সবাই মিলে ঠিক করেছে এর ভরকেই এক কিলোগ্রাম ধরা হবে। সংক্ষেপে কেজি। এর এক হাজার ভাগের এক ভাগকে এক গ্রাম বলা হবে।
সবাই মুখ চাওয়া চাওয়ি করছে একটা নতুন তথ্য জেনে। নীলকান্তবাবু বললেন— সারা বিশ্বেই এই এককে মাপা হয়, এর জন্য একে আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা সিস্টেম ইন্টারন্যাশনাল সংক্ষেপে এসআই বলা হয়। শুধু ব্রিটেনের কয়েকটি জায়গায় অন্য পদ্ধতিতে মাপা হয়। সেটিকে বলা হয় ব্রিটিশ পদ্ধতি। ব্রিটিশ পদ্ধতিতে ভরের একককে বলা হয় পাউন্ড।
এক কেজি আর এক পাউন্ড কি এক সমান ? বললো বিন্দু।
না, বললেন নীলকান্তবাবু। এক কিলোগ্রাম হলো টু পয়েন্ট টু পাউন্ডের সমান। আমাদের পানির বোতল আছে না, মিনারেল ওয়াটার। এক লিটার পানি বোতল ছাড়া নিক্তি দিয়ে মাপলে এক কেজি হবে।
উহ্ ! বললো আকাশ। সবাই তাকালো তার দিকে। একটা মস্তবড় কাচামরিচের টুকরা পড়েছে জিহ্বায়। নিচে নেমে গেলো সে তাড়াতাড়ি, পানি খেতে হবে।
