‘‘সাবধান ইহা একটি অবৈধ গেট, যানবাহন পারাপার নিষেধ”—সাইনবোর্ড টানিয়েই দায় সেরেছেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ভৈরব উপজেলার ১২টি রেল ক্রসিংয়ের মধ্যে ১০টি রেলক্রসিংয়ে গেট না থাকায় প্রতিনিয়ত শত শত যানবাহন ও লোকজন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ফলে ওই স্থানে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
ভৈরব রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ভৈরব উপজেলার যেসব রেলক্রসিংয়ে গেট নেই সেগুলো হচ্ছে— পৌর এলাকার তাঁতাকান্দি এলাকায় ১টি, জগন্নাথপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় ১টি, লক্ষ্মীপুর এলাকায় ২টি, কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের খাসহাওলা এলাকায় ১টি, আগবরনগর এলাকায় ১টি, মিরারচর এলাকায় ১টি, আদর্শপাড়া এলাকায় ১টি, বাঁশগাড়ি এলাকায় প্রবেশপথে ১টি এবং শিবপুর ইউনিয়নের ছনছাড়া এতিমখানা এলাকায় প্রবেশপথে ১টি। ওইসব এলাকার রেলক্রসিংয়ে গেট না থাকার দরুন প্রতিবছর অনেক লোক ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে।
রেলক্রসিং এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ট্রেন আসার সঙ্গে সঙ্গে রেল লাইনের পাশ থেকে চিত্কার শুরু হয়। চিত্কার শুনে লোকজন ও যানবাহন দাঁড়িয়ে পড়ে। রেললাইন চালু হওয়ার পর রেলক্রসিং এলাকায় এভাবেই চলছে বলে জানালেন এলাকার লোকজন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে ভৈরব শাখার সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী জানান, ভৈরব-কিশোরগঞ্জ রেলপথে ভৈরবের বেশকিছু রেলক্রসিংয়ে গেট ব্যারিয়ার না থাকায় ওই ক্রসিংগুলো অরক্ষিত রয়েছে। রেলক্রসিংয়ে গেট নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
