সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক বন্দর নগরী ভৈরবে কয়লার জমজমাট ব্যবসা হিসেবে সমৃদ্ধি লাভ করেছে। তবে জায়গার অভাবে এ ব্যবসা হুমকির সম্মুখীন। ভৈরবের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বর্তমানে পরিত্যক্ত মেঘনা ফেরীঘাটে শতাধিক কয়লা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন এজেন্সী গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে মেসার্স মানিস এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স লাভনী ট্রেডিং কর্পোরেশন, মেসার্স ভৈরব ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী, মেসার্স বাগদাদ ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী, মেসার্স সিলেট ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী, মেঘনা ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী অন্যতম। ওই স্থানে কয়লা ব্যবসা গড়ে ওঠায় ১০ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
ভৈরব কয়লা মালিক সমবায় সমিতি সূত্রে জানা যায়, ভৈরব মেঘনা ফেরীঘাটে ১২ বছর যাবত্ এ ব্যবসা করে আসছে ভৈরবের ব্যবসায়ীরা। ভৈরবের তরুণ ব্যবসায়ীরাও এ ব্যবসার দিকে ঝুঁকছে। ভারত থেকে আমদানীকৃত কয়লা দেড় হাজার আমদানীকারক বেপারীরা সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর উপজেলা বড়চড়া, চারগাঁও, এলসিস্টেশন থেকে বলগ্রেড ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা করে প্রতিদিন হাজার হাজার টন কয়লা নিয়ে আসছে ভৈরবের পুরনো মেঘনা ফেরীঘাটে। কয়লা ব্যবসার সমবায় সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে মজনু হাসান সওদাগর ও আনিসুজ্জামান রাসেল জানান, ঢাকার গাবতলী, কুমিল্লার দাউদকান্দি, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কয়লা ব্যবসা থাকলেও ভৈরব হচ্ছে কয়লা ব্যবসার সর্ববৃহত্ এলাকা।
