রাজধানীতে পৃথক তিন সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা ও মহিলাসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যা পর্য়ন্ত গত চব্বিশ ঘন্টায় নগরীর মুগদা, গুলিস্তানে হানিফ ফ্লাইওভার ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মুগদাপাড়া এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত হন সবুজবাগ থানার এসআই বিকাশ চন্দ্র ঘোষ ও অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবক। মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে বাসচাপায় নিহত হন পথচারী আফিয়া খাতুন ও বাস হেলপার সোহেল। এছাড়া ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিহত হয় মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক ঠিকাদার। পাঁচ জনের লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা দিয়ে জানায়, মঙ্গলবার রাতে মুগদা এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন এসআই বিকাশ। রাত সোয়া ১২টার দিকে বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে পুলিশের টহলরত গাড়ির চাকা নষ্ট হয়ে যায়। এসময় রাস্তার পাশের একটি দোকানে মেকানিককে দিয়ে চাকা পাল্টানো হচ্ছিল। আর পাশেই দাঁড়িয়ে তা তদারকি করছিলেন বিকাশ। এসময় পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী কাভার্ড ভ্যান তাকে ও অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবককে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ঐ যুবক। আর গুরুতর অবস্থায় বিকাশকে হাসপাতালে নেয়া হলে ভোর চারটার দিকে তিনি মারা যান। পুলিশ কাভার্ড ভ্যানটি আটক করলেও চালক পালিয়ে গেছে। নিহত বিকাশের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহে।
অপর দিকে বুধবার সকাল দশটার দিকে হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজার কাছে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা পথচারী আছিয়া খাতুন ও সোহেলকে চাপা দেয়। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিত্সক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আছিয়া খাতুন ওয়ারির ডিসিসি রোডে একটি ক্লিনিকে কাজ করতেন। তার বাসা নারায়ণঞ্জের নিতাইগঞ্জ। গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব থানা ছটাকি। অপর দিকে বাস হেলপার সোহেলের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মনোহরগাজী।
অপরদিকে ক্যান্টমেন্ট থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে মিরপুর ফ্লাইওভারের শেষপ্রান্ত থেকে মোস্তাফিজুর রহমানের লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
