রাজধানীর গুলশানে পাকিস্তান হাইকমিশনের কার্যালয়ে চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় সেখান থেকে খোয়া যাওয়া তিনটি সিপিইউ ও দুইটি ইউপিএস এবং একটি মনিটর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালামালসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে গুলশান থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো- সজল ওরফে কালু, মোস্তফা, নিমাই বাবু, দুলাল মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম ও সেকুল ইসলাম। গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানিয়েছেন গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক আহমেদ। এর আগে ২২ নভেম্বর গুলশানে অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশনে প্রবেশ করে চোরচক্র। তারা এসি, কম্পিউটারের সিপিইউসহ বেশ কিছু মালামাল চুরি করে। ঘটনার পর ২৫ নভেম্বর পাকিস্তান হাইকমিশনের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়। গুলশান-বনানী এলাকার প্রায় এক হাজার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে আমরা একজনের চেহারা শনাক্ত করতে পারি। সেই ছবিটি এলাকার সুইপারদের দেখালে তারা একে কালু বলে চিহ্নিত করে। তখন কালুর বাসায় গিয়ে তাকে গ্রেফতার করলে পুরো ঘটনা বেরিয়ে আসে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, কালু এলাকায় বোতল কুড়াতো। পাকিস্তান হাইকমিশনের পেছনে বোতল কুড়াতে গিয়ে ভাঙা দেয়াল দেখে চুরির পরিকল্পনা করে সে। তারপর ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় মোস্তফা ও দুলালের সহায়তায় প্রথমে এসি চুরি করে। এরপর ভবনের ভেতরে গিয়ে সিপিইউ ও ইউপিএসগুলো চুরি করে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতার তিনজনের দেওয়া তথ্যমতে, যাদের কাছে এসব জিনিসপত্র বিক্রি করেছিল তাদের গ্রেফতার করা হয়। সেখান থেকে কম্পিউটারের তিনটি সিপিইউ ও দুটি ইউপিএস উদ্ধার করা হয়। তবে চুরিকৃত এসিটি যার কাছে বিক্রি করেছিল সেটি অক্ষত পাওয়া যায়নি। কারণ সেটি ভেঙে পার্টসগুলো আলাদা করে ফেলা হয়েছে।
