বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীনকে আলাদা করা ইতিহাসের ট্র্যাজেডি :আনিসুজ্জামান

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৪, ২২:৩০
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাজউদ্দীন আহমদকে আলাদা করা ইতিহাসের ট্র্যাজেডি। কুচক্রী মহল দুই নেতার মধ্যে বিভেদ তৈরি করে তাদেরকে আলাদা করে দিয়েছিল। শুক্রবার এশিয়াটিক সোসাইটি মিলনায়তনে তাজউদ্দীন কন্যা শারমিন আহমদ রচিত ‘তাজউদ্দীন আহমদ : নেতা ও পিতা’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক, ডা. এমএ করিম এবং হাজী গোলাম মুরশেদ। ড. কামাল হোসেন বলেন, এই সময়ে এসে বইটি প্রকাশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই বইয়ের মাধ্যমে তরুণরা সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে। ব্যারিস্টার আমীর-উল-ইসলাম বলেন, বাবাকে ছোটবেলা থেকে যেভাবে দেখেছেন সেভাবেই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। দেশের জন্য তাজউদ্দীন আহমদের অবদান ফুটে উঠেছে। লেখিকা তার দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি, কল্পনাশক্তি, ইতিহাস সবকিছুর সংমিশ্রণ করে বইটি লিখেছেন। অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, বইয়ের অর্ধেক অংশজুড়ে লেখিকার নিজের কথা আছে। লিখেছেন নিজের অভিজ্ঞতা, নিজের দেখা, অনেকের সঙ্গে কথা বলে। বইয়ে বাকি অংশে আছে অনেকের সাক্ষাত্কার। শারমিন আহমদ বলেন, মেয়ে হিসেবে বাবাকে নিয়ে লেখা কষ্টের। বিশেষ করে যে বাবাকে আমি হারিয়েছি কৈশোর-যৌবনের সন্ধিলগ্নে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু-তাজউদ্দীন শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন। আজ আমরা তাদের প্রত্যাশা থেকে দূরে সরে গেছি। তাদের আত্মত্যাগ থেকে আমাদের শিখতে হবে। এশিয়াটিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আহমেদ জামালের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মঈদুল হাসান, ড. আমর খাইরি আবদাল্লা, মাহজাবিন আহমদ মিমি, আরিফুর রহমান নাইম প্রমুখ।