রপ্তানি খাতে আশার আলো গার্মেন্টস

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৪, ২২:৩০
মূল নিয়ামক গার্মেন্টস খাতের উপর ভর করে চলতি ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। এই সময়ে রপ্তানি বেড়েছে আগের অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ। অবশ্য গত মার্চ মাসে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি রপ্তানি আয়। অন্যদিকে বিশেষত পাট খাতে রপ্তানি আয় কমেছে ২০ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে দুই হাজার ২০৭ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রপ্তানি আয় হয়েছে দুই হাজার ২২৪ কোটি ডলারের পণ্য। রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রাকে অতিক্রম করেছে। আগের অর্থ বছরের (২০১২-১৩) একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ১ হাজার ৯৭০ কোটি ডলারের পণ্য। অর্থাত্ আগের আলোচ্য সময়ের তুলনায় রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। অবশ্য বিগত মাসগুলোতে এই প্রবৃদ্ধি আরো বেশি ছিল। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে এই পবৃদ্ধি ছিল প্রায় ১৪ শতাংশ এবং জানুয়ারি পর্যন্ত তা ১৫ শতাংশেরও বেশি ছিল। সূত্র জানায়, রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশই আসে গার্মেন্টস খাত থেকে। গত জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়েও নীটওয়্যার ও ওভেন রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে সমর্থ্য হয়েছে। আলোচ্য সময়ে নীটওয়্যার ও ওভেন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে সাড়ে ১৬ শতাংশ ও ১৪ শতাংশ হারে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, একক মাস হিসেবে মার্চে ২৬৫ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। যা গত অর্থ বছরের একই মাসের তুলনায় চার দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি। অবশ্য লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ কম রপ্তানি হয়েছে মার্চে। ইপিবির পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, স্পেশালাইজড টেক্সটাইল ও হোম টেক্সটাইল খাতে লক্ষ্যমাত্রা ও প্রবৃদ্ধি অর্জনের দিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। আলোচ্য সময়ে রফতানি আয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে হিমায়িত খাদ্য, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য, উত্পাদন সামগ্রী, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য, কম্পিউটার সার্ভিস, ফুটওয়্যার প্রভৃতি।