জন্মের পর কেউ তার নিজের পাপ ধামাচাপা দিতে নবজাতককে মাটিচাপা দিয়েছিল। কিন্ত শিশুটি তার ভাগ্যের জোরে বেঁচে গেছে।
আগৈলঝাড়ায় উপজেলার রাংতা-চেঙ্গুটিয়া গ্রামের মোবাশ্বের বেপারীর গমক্ষেতে নবজাতকের কান্না শুনতে পেয়ে স্থানীয়রা গতকাল শুক্রবার শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। গতরাতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নবজাতক শিশুটিকে আগৈলঝাড়ার শিশু নিবাসে ভর্তি করা হয়েছে। আগৈলঝাড়া থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ফুটফুটে শিশুকে দেখার জন্য হাসপাতালে উত্সুক জনতা ভিড় করছে। পুলিশ জানায়, আগের রাতে কে বা কারা শিশুটিকে মোফাজ্জেল হোসেনের গমক্ষেতে মাটির নিচে পুঁতে রাখে। স্থানীয়রা নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনে ক্ষেতে গিয়ে দেখতে পায় মাটির নিচে শিশুটির সমস্ত শরীর পুঁতে রাখা হলেও একটি হাত ও মুখের কিছু অংশ বাইরে থাকায় সে প্রাণে বেঁচে আছে। স্থানীয় আনোয়ার হোসেন শিশুটিকে জীবিত দেখতে পেয়ে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মর্তুজা খান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কালাম তালুকদার শিশুটিকে দেখতে যান। থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিশুটির পরিচয় মেলেনি।
