আমাদের ক্যাম্পাস

মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:০১
চাঁদপুর জেলার নারী শিক্ষার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯২১ সাল থেকে শুরু এর পথচলা। চতুর্থ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী এই বিদ্যালয়টির বর্তমান ছাত্রী সংখ্যা এক হাজার সাতশ ছাড়িয়ে। শিক্ষক সংখ্যা প্রায় পঞ্চাশ। শিক্ষার্থী পদচারণায় মুখরিত এই বিদ্যালয়টির অবস্থান চাঁদপুর শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়ক সংলগ্ন লেকের পাড়ে। ভালো ফলাফলের বিচারে চাঁদপুরের অনন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটি। প্রতিষ্ঠানের ভালো ফলাফলের কারণ শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, অভিভাবকদের সচেতনতা এবং ম্যানেজিং কমিটির দক্ষ পরিচালনা। প্রমা রানী সাহা ১০ম শ্রেণি, রোল-১ প্রায় শত বর্ষব্যাপী ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যানিকেতনটি চাঁদপুরের নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো বিতরণ করে আসছে। এই প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করে অনেক শিক্ষার্থীই দেশে-বিদেশে বড় বড় পদে এবং গুরুত্বপূর্ণ সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত আছেন। নারী শিক্ষার তীর্থস্থান মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় আগামীতে আরো আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করবে এবং মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়ন করবে— আমি এই প্রত্যাশাই করি। আমি আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে সারাদেশে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানরূপে দেখতে চাই। শাররাফাহ বদরিয়া নিহা ৯ম শ্রেণি, রোল-১ বর্তমান যুগ আধুনিক যুগ। আমি চাই আমাদের প্রতিটি ক্লাসে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাঠদান করা হোক। এতে করে পাঠদান পদ্ধতি সাবলীল ও শিক্ষার্থীদের কাছে সহজে বোধগম্য হবে। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদের স্কুলে উন্মুক্ত কম্পিউটার ক্লাসের ব্যবস্থা করা উচিত। এতে করে সকল শিক্ষার্থীই কম্পিউটার ব্যবহার করে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে। আমি আমার বিদ্যালয়টিকে সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই। খায়রুন মেহজাবীন অর্পা অষ্টম শ্রেণি, রোল-১ বহিঃবিশ্বের সম্পর্কে জানতে অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে বই। আমাদের স্কুলে গুরুত্বপূর্ণ বই সমৃদ্ধ একটি লাইব্রেরী আছে। লাইব্রেরীতে যদি পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি শিক্ষামূলক বই, ইতিহাসভিত্তিক বই সরবরাহ করা হয় তবে আমাদের জন্য ভালো হতো। আমরা অবসর সময়ে বই পড়ার আনন্দ উপভোগ করতে পারতাম। আমি চাই, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, শ্রেণিকক্ষে ফ্যান-লাইট সুবিধার আরো উন্নয়ন ঘটুক। শিক্ষার্থীদের সকল সুযোগ-সুবিধা দিয়ে বিদ্যালয়টি আরো এগিয়ে যাবে এবং আদর্শ মানুষ সৃষ্টি করবে— আমি এই প্রত্যাশাই করি। চন্দ্রিকা পাল দৃষ্টি সপ্তম শ্রেণি, রোল-১ আমাদের বিদ্যালয়ের ফলাফল অত্যন্ত ভালো। প্রতি বছরই বোর্ড পরীক্ষাগুলোতে এই স্কুলটি বোর্ডের শীর্ষ বিশের তালিকায় থাকে। শিক্ষকদের আন্তরিকতা, নিয়মিত পাঠদান, সাপ্তাহিক পরীক্ষা ও তত্ত্বাবধায়নের কারণেই আমরা পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফলাফল পেয়ে থাকি। আমি শিক্ষা পরিবেশ আরো সুন্দর করতে খেলার মাঠের এক পাশে ফুলের বাগান ও বিনোদনের জন্য কমন রুম এবং ভালো মানের একটি ক্যান্টিন চাই। তাহলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময়টা ভালোভাবে কাটবে। শানজানা চৌধুরী তানহা ৬ষ্ঠ শ্রেণি, রোল-১ আমাদের স্কুলে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা নিয়মিত হয়ে থাকে। সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আমি চাই আমাদের স্কুলে প্রতি সপ্তাহে একদিন সাংস্কৃতিক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হোক। বিতর্ক চর্চা নিয়মিত হোক। আমাদের বার্ষিক ম্যাগাজিন ভালোভাবে প্রকাশিত হোক। আমি বিদ্যালয়ের পাঠদান ও সহ-পাঠক্রমিক কার্যক্রমে আদর্শমান প্রত্যাশা করি। যাতে আমরা আমাদের বিদ্যালয় নিয়ে গর্ব করতে পারি।