আপনার জীবনধারায় যেই সময়টাই আসুক না কেন গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসানোর কোনো প্রয়োজন নেই। বরং নিজেকে জানার আর নিজের চেষ্টাকে সমর্থন দেয়াই আসল কাজ। আপনি যদি অংকে দুর্বল হন আর আপনার ধ্যানজ্ঞান হয়ে থাকে বড় বিজ্ঞানী হয়ে ওঠার, তবে জীবনের অংকই অনেকটা উল্টে যাবে। অন্যদিকে সাহিত্যে আপনার চরম দখল। অথচ মনের ভেতর কিংবা অভিভাবকের সিদ্ধান্তে আপনি নিজেকে খুঁজে নেন কমার্সের কোনো বিষয়ে, তবে আপনার ভবিষ্যত সময়কে সহায়তা করবে না এতটুকু। চেষ্টা করতে হবে সার্বিক ফলাফলটা যেন সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। নিজের দুর্বলতা বা শক্তির জায়গা সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া গেলে সময়কে মানিয়ে নেয়া আপনার হয়ে উঠবে না।
সপ্তাহের শুরুতে কিংবা প্রতিদিন নিজের জন্য একটি প্ল্যান রাখা উচিত। হতে পারে তা ডায়রিতে লিখে কিংবা মোবাইল টুডু লিস্টে তা লিপিবদ্ধ করে। শুধু প্ল্যান নয় চেষ্টা করতে হবে এই লিখে নেয়া জীবন প্রণালীকে যথাসম্ভব ফলো করা। প্রথম দিকে রুটিন মাফিক কাজ করা অসুবিধে হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে সময়কে শাসন করতে তাই মূল অস্ত্র হয়।
শুধু পড়াশোনা নয় কিংবা সারাক্ষণ ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবনা নয় একজন নির্ভেজাল তরুণের প্রতিদিনের রুটিনে থাকা উচিত খানিকটা খেলাধুলা, খানিকটা আড্ডা কিংবা একটু নেটে দুনিয়াটা দেখে নেয়া ইত্যাদি নানা রুটিনও। মনে রাখতে হবে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করে খেতে গেলেও অনেককিছু আবিষ্কার করা যায় যা জীবনের কাজে লাগতে পারে।
