নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার করকরিয়া গ্রামের মালিকানা নিয়ে জটিলতায় একটি অগভীর নলকূপে বিদ্যুত্ সংযোগ পুনরায় স্থাপন না করায় ওই নলকূপের আওতায় প্রায় ১৫০ বিঘা জমির ধান পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছে কৃষকরা। আগামী ৫/৬ দিনের মধ্যে বিদ্যুত্ সংযোগ দেয়া না হলে এ নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে কৃষকরা। জানা গেছে, করকরিয়া গ্রামের মাঠে জনৈক নয়ন হোসেন নামে এক কৃষক পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ নিয়ে অগভীর নলকূপ স্থাপন করে। ওই নলকূপ থেকে পানি সেচ নিয়ে গ্রামের কৃষকরা প্রায় ১৫০ বিঘা জমির চাষাবাদ করে আসছিল। নলকূপের মালিক নয়ন হোসেন গত ২০০৬ সালে একই গ্রামের মোজাফ্ফর হোসেনের নিকটে বিদ্যুত্ সংযোগসহ অগভীর নলকূপটি বিক্রি করে দেন। এরপরেও কৃষকরা একইভাবে সেচ নিয়ে জমি চাষাবাদ করে আসছে। সম্প্রতি মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা দেখিয়ে আবারো বিদ্যুত্ সংযোগ বিছিন্ন করে।
জমিতে পানি সেচ গ্রহণকারীদের মধ্যে সুভান চন্দ্র জানায়, ধানে শীষ বের হতে শুরু করেছে। এ সময় জমিতে পানি না থাকলে জমির ধান চিটা হয়ে যাবে। ধান চাষ করে আমাদের লাভের পরিবর্তে লোকসানের বোঝা মাথায় নিতে হবে। দ্রুত বিদ্যুত্ সংযোগ পাওয়া না গেলে কৃষকদের চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হবে।
এ ঘটনায় নওগাঁ পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি, নিয়ামতপুর জোনের ডিজিএম নুরুল ইসলাম সরকার বলেন, নলকূপটির মালিকানা নিয়ে জটিলতা রয়েছে। যে প্রক্রিয়ায় মালিকানা পরিবর্তন করা হয়েছে তা সঠিকভাবে হয়নি। জটিলতা দূর হলেই সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হবে।
