কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৪, ২১:১৯
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগে অপরাধীকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে গত বুধবার ক্যাম্পাসের মূল ফটকে মানববন্ধন করেছে সাধারণ ছাত্রীরা। মানববন্ধনে ছাত্রীরা বলেন, পরীক্ষার হলে এ ধরনের ঘটনা ঘটায় আমরা নিরাপত্তাহীনতা ভুগছি। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কৃত নুরুল আমিন সবুজ নামে এক বখাটে গত ১৯ এপ্রিল পরীক্ষার হলে প্রকাশ্যে অস্ত্র ঠেকিয়ে ঐ ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করে। আহত ছাত্রীকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে সবুজ পলাতক রয়েছে। প্রেমে ব্যর্থ হয়ে সবুজ একই ছাত্রীকে ২০১১ সালে ছুরিকাঘাত করে। শ্লীলতাহানির অভিযোগে তদন্ত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে একই সালের ডিসেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয় সবুজকে আজীবনের জন্য বহিস্কার করে। বহিস্কারের পরেও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে থেকে সবুজ বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করায় তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা না নেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে দায়ী করেন অভিভাবকরা। ২০১২ সালের মার্চে সবুজ তত্কালীন বাংলা বিভাগের প্রধান ড. জি এম মনিরুজ্জামানকে রামদা হাতে ধাওয়া করেও বলেও অভিযোগ রয়েছে। লাঞ্ছিত ছাত্রীর পিতা বাদি হয়ে গত রবিবার রাতে সবুজকে আসামি করে সদর দক্ষিণ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। ঘটনার বিচার দাবিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রলীগ গত সোমবার উপাচার্যকে স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধন করেন। বহিষ্কৃত সবুজ রিভলবার নিয়ে প্রকাশ্যে ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না হয়েও আবাসিক হলে অবস্থান করায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে মানববন্ধনে বক্তারা দায়ী করেন।