কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ধজনগর সীমান্ত পিলারের কাছ দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় বিজিবি’র বাধার মুখে ভারতীয় সীমানায় শূন্য রেখায় অবস্থান করছে ১০ রোহিঙ্গা। এদের মধ্যে ২ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ৬ শিশু রয়েছে। এ বিষয়ে দুই দেশের বিজিবি ও বিএসএফ পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
স্থানীয় বিজিবি সূত্রে জানা যায়, অনুপ্রবেশের চেষ্টাকারী রোহিঙ্গাদের সহযোগী জামাল মিয়া ও তার স্ত্রীকে বিজিবি সতর্ক করে মৃদু শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেয়। জামালের বাড়ি ত্রিপুরার অভ্যন্তরে খামার বাড়ি গ্রামে। রোহিঙ্গা দু’টো পরিবারের প্রধান আবদুল গফুর ও সমির জালাল জানান, ২০১২ সালে তারা মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে ভারতের জম্মু কাশ্মিরে অবস্থান নেয়। পুনরায় সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ত্রিপুরায় আসেন। ওইখানে তাদের রেশনকার্ড ছিল। এ প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে বলেন, অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পেতেই তারা বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য দালাল ধরে ত্রিপুরায় আসেন।
স্থানীয় অধিবাসীরা জানায়, এই এলাকাটি রোহিঙ্গা পারাপারের জন্য দীর্ঘদিন যাবত্ রুট হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে। ইতোপূর্বে আরো দু’বার বড় দু’টো রোহিঙ্গা দলকে পুশব্যাক করেছে বাংলাদেশ। ৬০ বিজিবির অধিনায়ক ইকবাল হোসেন বলেন, এই সীমান্ত এলাকায় হয়তো একটি চক্রের সহায়তায় রোহিঙ্গা পারাপার হচ্ছে। এরা কসবা রেলওয়ে স্টেশনে এসে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পাড়ি জমায়। যেহেতু এরা ভারতীয় অংশে অবস্থান করছে তাদের অবশ্যই ভারতে ফিরে যেতে হবে।
