কালবৈশাখী গফরগাঁওয়ে নিহত ১

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০১৪, ২৩:২১
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে শনিবার বিকালে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ের আঘাতে ঘরবাড়ি, গাছপালা, ফল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের সময় টাংগাব গ্রামের তাইজ উদ্দিনের ছেলে শাকিল (৭) নিহত হয়েছে। উড়ে আসা গাছপালা ও টিনের আঘাতে অন্তত ১০জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। টাংগাব ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন সাগর জানান, বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পাগলা থানার টাংগাব, দত্তেরবাজার ও উস্থি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যায়। ঝড়ের সময় ৩টি মসজিদ, মাদ্রাসা, সিনেমা হলসহ শতাধিক ঘর বিধস্ত ও ২ শতাধিক ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপড়ে গেছে অসংখ্য গাছপালা। ঝড়ে বিভিন্ন সড়কের উপর গাছ উপড়ে পড়ায় যানচলাচল ব্যাহত হয়। উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ঝড়ে টাংগাব ও দত্তেরবাজার ইউনিয়নের গ্রামগুলোর ঘরহারা ৬ শতাধিক মানুষ খোলা আকাশের নীচে দিন কাটাচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ৩৩টি গ্রামের ২ হাজার ৪শ হেক্টর জমির ধান, ভূট্টা, পাট, চিচিংগাসহ অন্যান্য সবজি ক্ষেত, পানের বরজ ও আম, কাঁঠাল, লিচু, তরমুজসহ অন্যান্য ফল নষ্ট হয়ে গেছে। আড়াইহাজারে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড গ্রাম গোপালদী বাজার (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, শনিবার রাত ৮টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ে আড়াইহাজারের ঝাউগড়া গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ওই গ্রামের কমপক্ষে ২০টি ঘরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আরো ১০টি ঘর ঝড়ে ভূপাতিত হয় এবং ৪ ব্যক্তি আহত হন। ঝড়ে বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে পড়ায় ২ দিন যাবত্ উপজেলায় বিদ্যুত্ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ঝড়ে ঝাউগড়া উত্তর পাড়া গ্রামের খোদেজা বেগমের ২টি, আমিনুলের একটি, হাজিয়া বেগমের ১টি, হাছিনা বেগমের ১টি, সেলিমের ১টিসহ প্রায় ২০টি ঘর পড়ে গেছে। এছাড়া জুনায়েদ , শাহ আলম, খোদেজা ও রেহানা নামে ৪ জন আহত হয়েছে। তাদের প্রাথমিক চিকিত্সা দেয়া হয়েছে।