গল্প নয় সত্যি

উটকো ঝামেলা!

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৩৩
জলপথে হোক, স্থলপথে হোক কিংবা হোক তা আকাশপথে, কোথাও যাবার পথে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার প্রয়োজন পড়লে তা করবার অধিকার সবারই রয়েছে। তবে নিজের এই মৌলিক(!) অধিকারটুকু নিশ্চিত করতে যেয়েই সম্প্রতি বিপাকে পড়েছিলেন এক অস্ট্রেলিয় নাগরিক। অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহর থেকে ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন নগরী বালিতে যাওয়ার পথে ভার্জিন অস্ট্রেলিয়ার একটি ফ্লাইটে শেষ মুহূর্তে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে ম্যাট লকলি নামের এই ব্যক্তি শুধুমাত্র নিজের জন্যই বিপদ ডেকে আনেননি, বরং উদ্বেগের মধ্যে ফেলে দেন বিমানের সহযাত্রী, পাইলট আর বিমান নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ইন্দোনেশিয় কর্তৃপক্ষকেও। ঘটনার দিন, বিমান অবতরণের ঠিক আগের মুহূর্তে ফ্লাইটটির একজন অ্যাটেনডেন্ট তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুললে তিনি দ্রুত বিমানের বাথরুমের দিকে অগ্রসর হন। তবে বাথরুমের দরজা খোলার পরিবর্তে তিনি ভুলে পাইলটদের বিমান চালনার স্থান অর্থাত্ ককপিটে ঢোকার চেষ্টা করতেই বিমানের পাইলট বিষয়টিকে বিমান ছিনতাইয়ের প্রচেষ্টা ভেবে সাথে সাথে তা অবহিত করেন ইন্দোনেশিয়ার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমকে। তার এই চেষ্টা দেখে সাথে সাথে এগিয়ে আসেন বিমানের ক্রু’রাও। পরে লকলিকে বিমানের পেছনের দিকের একটি আসনে গিয়ে বসে থাকতে বাধ্য করেন তারা। এদিকে বিমানটির পাইলট নিল থমাস কুপারের কাছ থেকে সতর্কবার্তা পাওয়ার পর দ্রুতই বিমানটি অবতরণের চারপাশ ঘিরে ফেলে পুলিশ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বহু সংবাদকর্মীও। এদিকে লকলির ইন্দোনেশীয় স্ত্রী টিভি’তে তাকে দেখতে পেয়ে দ্রুতই ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে লকলির বিস্তারিত সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তাকে বিমান ছিনতাইয়ের অভিযোগ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের এই বিমানটিতে সবমিলিয়ে ১৩৭ জন যাত্রী ও ৭ জন কেবিন ক্রু ছিলেন।