বন্ধু হয়ে উঠুন

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৪১
বিবাহিত জীবনে একজন মেয়ের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো শ্বশুরবাড়ির মন জুগিয়ে চলা। তবে সবার মন রক্ষা করে তালে তাল মিলিয়ে চলতে একজন নারীকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। বিশেষ করে শাশুড়ির মন পাওয়া অনেক সময় কষ্টের হয়। একটু বুদ্ধি করে চললে এই সম্পর্কটি অনেক বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। এ নিয়ে এবারের আয়োজন বেশ ঘটা করেই জুড়ে গেল দুটো জীবন। বাবার বাড়ির পরিচিত পরিমণ্ডল ছেড়ে মেয়েটি হঠাত্ নিজেকে আবিষ্কার করল অচেনা ভুবনে। তার পরিচয়টা আর শুধু মা-বাবার আদরের মেয়েতেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি আরেকটি পরিবারের বউ। নতুন পরিবারের সাথে মানিয়ে নিতে স্বামী তো বটেই, শাশুড়ির সহায়তা পেলে সমস্যার ডালপালা ছড়াবে না। দ্বিধাদ্বন্দ্ব কেটে যাবে। শুরুতে শাশুড়ির সাথে মানিয়ে নিতে একটু কৌশলী, একটু বোঝার মতো বুদ্ধি থাকতে হবে। নতুন জীবনের দরজায় পা রাখা সব মেয়েকেই একদিন এমন পরিস্থিতির সামনে পড়তে হয়। ভিন্ন পরিবেশে বড় হওয়া মেয়েটির নতুন পরিবেশকে বুঝে নেওয়ার জন্য তাই নিজের কিছু সময় প্রয়োজন। বোঝাবুঝির সে পর্বটি সেই পরিবারে এসেই যে শুরু করতে হবে এমনটি নয়। মেয়েটি যদি বুদ্ধিমতী হয় তাহলে আগে থেকেই সবার সম্পর্কে খানিকটা খোঁজখবর নিতে পারেন। আর বাকিটুকু শ্বশুরবাড়ি এসে শাশুড়ির সাথে সুসম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে শিখে নিতে পারেন। তবে শাশুড়িকেও আন্তরিকতার সাথে ছেলের বউকে গ্রহণ করতে হবে। মূলকথা নিজেকে সুন্দর ও সুখী সংসারের একজন হিসেবে দেখতে চাইলে মেয়েটিকে হতে হবে শাশুড়ির মনের মতো বউ। আবার শাশুড়িকেও বুঝতে হবে মেয়েটির চাওয়া-পাওয়া। কেননা, এই পরিবারে তিনি নতুন। তিনি যদি সঠিকভাবে সহায়তা করেন, তাহলে নতুন বউয়ের নতুন জীবন অনেকখানি সাবলীল হবে। ইতিবাচক মনোভাব একটি মেয়ের কাছে বউয়ের ভূমিকা যেমন নতুন তেমনি একজন মায়ের কাছে শাশুড়ির ভূমিকাটিও নতুন। তাই সম্পর্কের শুরুতেই শাশুড়ির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব রাখতে হবে। সমতা শাশুড়িকে নিজের মায়ের মতো মেনে আচরণ করার চেষ্টা করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি আপনার মায়ের জন্মদিনে একটি উপহার দিয়ে থাকেন, তাহলে আপনার শাশুড়ির জন্মদিনেও উপহার দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। সংবেদনশীলতা একজন মা তার সন্তানকে লালন-পালন করতে তার জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় ব্যয় করেন। তাই যখন অন্য ব্যক্তি তার ছেলের জীবনের আকর্ষণ কেন্দ্রে পরিণত হয়, তখন ওই পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য তার সাথে একটু সংবেদনশীল হতে হবে। সম্মান শাশুড়ির সাথে সম্মানসূচক ব্যবহার করতে হবে। তাকে নিজের চেয়ে বেশি অভিজ্ঞ ও পারদর্শী মনে করতে হবে। তার সাথে জীবনের অভিজ্ঞতা ও পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে আলোচনা করতে হবে। সময় কাটানো পরিবারের সবার সাথে ও শাশুড়ির সাথে যথাসম্ভব অধিক সময় কাটাতে হবে। পরস্পর পরস্পরকে বোঝার মতো সময় দিতে হবে। একে অন্যের সাদৃশ্যগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে হবে। মনোযোগী হওয়া বাড়িতে যখন শাশুড়ি থাকে তখন তার প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। খাবার বানাতে অথবা ঘরের আসবাবপত্র কিনতে তার সাহায্য নিতে হবে। শাশুড়ির কথার গুরুত্ব দিতে হবে। পরামর্শ স্বামী বা সন্তানের দেখাশোনার ক্ষেত্রে শাশুড়ির কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। ফলে নিজের অভিজ্ঞতা বাড়ে ও যেকোনো দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। যোগাযোগ নিজেদের সম্পর্ককে মজবুত করার জন্য ঠিকমতো যোগাযোগ করতে হবে। কোনো কাজে বা কথায় মনে আঘাত পেলে সেগুলো মনের মধ্যে না রেখে তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। কোনো ভুল বুঝাবুঝি হলে নিজেদের স্থির হওয়ার সময় দিতে হবে। আর খোলামেলা আলোচনা করে সমাধানের পথ বের করতে হবে। ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়াতে আজকাল আমরা অনেকেই স্মার্ট ফোন ব্যবহার করি। তবে ফোনটি স্মার্ট হলেও এর ব্যাটারি ব্যাকআপ ততটা স্মার্ট না! এই কারণে আমাদের নানা সময়ে নানারকম ভোগান্তি পোহাতে হয়। আর সেকারণে আমাদের জেনে রাখা দরকার কেন ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী হয় না! পদ্ধতিগুলো জেনে নেওয়া যাক—  অকারণে মোবাইলের ব্লুটুথ অন করে রাখবেন না। প্রয়োজন শেষ হলে ব্লুটুথ অফ করে রাখুন।  আমরা অনেকে কিপ্যাডের শব্দ এবং ভাইব্রেশন ব্যবহার করি যা অপ্রয়োজনে করা উচিত নয়।  মোবাইলের ডিসপ্লেতে আলো কমিয়ে রাখুন।  পাওয়ার সেভার টাইমআউট এ সর্বনিম্ন ভ্যালু ব্যবহার করুন।  কোনো অ্যাপ্লিকেশনের কাজ শেষ হলে তা বন্ধ করে রাখাই উত্তম।  মোবাইলে গেম খেলতে কমবেশি সকলেরই বেশ ভালো লাগে কিন্তু এতে ব্যাটারির আয়ুষ্কাল কমে যায়। তাই এদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত।  যদি মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক না পায় তাহলে মোবাইলটি বন্ধ করে আবার চালু করে দেখুন তাও যদি না পায় তবে মোবাইলটি বন্ধ রাখুন, কারণ নেটওয়ার্ক সার্চের জন্য প্রচুর চার্জ ব্যবহূত হয়।