৪ শিশু পাচারের কথা স্বীকার করলো অপহরণকারী মামুন

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০১৪, ২১:১৫
খুলনা জেলার বঠিয়াঘাটা উপজেলার হুগলা বুনিয়া গ্রামের মোজ্জাফ্ফর সরদারের ছেলে আল মামুন সরদার (১৮) কৌশলে শিশু অপহরণ করে। এ পর্যন্ত ৪ টি শিশুকে অপহরন করে পাচারকারীদের হাতে তুলে দেয় বলে গোপালগঞ্জ পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিন ভেন্নাবাড়ি গ্রামে ধানকাটা শ্রমিক হিসেব কাজ করতে এসে রবিবার সন্ধ্যায় দীঘারকুল গ্রামের মোঃ নিরু ফকিরের শিশু কন্যা ও দীঘারকুল দক্ষিন ঘোষগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেনীর ছাত্রী লামিয়াকে অপহরন করে নিয়ে যাওয়ার সময় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার গোপালগঞ্জ থানায় আল মামুনকে আসামী করে একটি অপহরন মামলা দায়ের করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা জানান,৩/৪ দিন আগে আল মামুন সদর উপজেলার দক্ষিন ভেন্নাবাড়ি গ্রামের ওহিদ মোল্লার বাড়িতে এসে নিজেকে ধানকাটা শ্রমিক পরিচয় দিয়ে কৌশলে ধানকাটার কাজ শুরু করে। গত রবিবার লামিয়ার মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে আল মামুন তাকে কাধের করে নিয়ে রওনা দেয়। লামিয়া মুখ থেকে হাত দিয়ে গামছা সরিয়ে বাঁচার জন্য চিত্কার দেয়। তার চিত্কারে স্থানীয়রা আল মামুনকে আটক ও লামিয়াকে উদ্ধার করে। অপহরনকারী আল মামুন পুলিশকে জানিয়েছে,কাজের ছলে এ পর্যন্ত সে ৪ টি শিশুকে অপহরন করেছে। প্রথমে শিশুর মুখ গামছা দিয়ে বেধে ঘুমের ওষুধ প্রয়োগ করে ঘুম পাড়িয়ে দেয়। তারপর অজ্ঞান শিশুকে অভিভাবকের ভান করে হাতের উপর রেখে বাসে করে খুলনায় নিয়ে যায় এবং তার গ্রামের সাইদুল সরদারের ছেলে ইয়াছিন সরদারের হাতে তুলে দেয়। ইয়াছিন ওই ৪ শিশুকে ভারতে পাচার করে দিয়েছে বলেও সে স্বীকার করে। ৫ম শিশু লামিয়াকে অপহরন করতে গিয়ে আল মামুন স্থানীয় জনতার হাতেহাতে ধরা পড়েছে বলে জানায়।