প্রবাসী বাংলাদেশি অধ্যুষিত নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ব্রুসন বিল্ডিংয়ে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো বিপাকে রয়েছে। কেউ কেউ অস্থায়ী ঠিকানায় ইতিমধ্যে তাদের ব্যবসা শুরু করেছেন, আবার কেউ পুরোপুরি ব্যবসা খুলেছেন নতুন ঠিকানায়। আবার অনেকে কাঙ্ক্ষিত অফিস পাচ্ছেন না। প্রবাসে দীর্ঘদিনের সুনাম ধরে রাখতে যতদ্রুত সম্ভব ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা প্রতিদিনই প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ব্রুসন বিল্ডিংয়ের অতি পরিচিত বাংলাদেশি মালিকানাধীন সিপিএ প্রতিষ্ঠান ইয়াকুব এ খান জানান, তার প্রতিষ্ঠান অস্থায়ীভাবে জ্যাকসন হাইটসের অদূরে লং আইল্যান্ড সিটিতে স্থানান্তর করেছেন। তবে খুব শিগগিরই তিনি জ্যাকসন হাইটসে নতুন অফিস নেবেন।
অগ্নিকাণ্ডে ব্রুসন বিল্ডিং সিলগালা করে দেয়ায় প্রকাশনা ব্যাহত হচ্ছে ঐ বিল্ডিংংেয় অবস্থিত এবং অল্প কিছুদিন আগে বাজারে আসা বাংলা সাপ্তাহিক রানার। পত্রিকার সম্পাদক এনামুর রেজা দীপু জানান, তাদের অফিসে আগুন লাগেনি। তবে আগুন নেভাতে গিয়ে যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তাতে সবকিছু ঠিকঠাক হতে অনেক সময় লেগে যাবে। তিনি জানান, তারা পত্রিকার নতুন অফিস খুঁজছেন। খুব শিগগিরই রানার আবার প্রকাশিত হবে।
উল্লেখ্য, ২১ এপ্রিল ব্রুসন বিল্ডিংয়ে অগ্নিকাণ্ডে ২০টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত হয়। আগুন লাগার পর থেকেই ভবনটি নিয়ন্ত্রণে নেয় দমকল বাহিনী। পরদিন বিল্ডিংটি সিলগালা করে দেয়া হয়। ফলে বাংলাদেশি ২০টি প্রতিষ্ঠানসহ ভবনের সবকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।
পাতাল ট্রেন লাইনচ্যুত আহত ১৯
নিউইয়র্কের ব্যস্ততম পাতাল রেলস্টেশন জ্যাকসন হাইটসের অদূরে ৬৫ স্ট্রিট এবং নর্দার্ন বুলেভার্ড স্টেশনের মধ্যবর্তী স্থানে স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে একটি এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় ১৯ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর জখম হয়েছেন চারজন। ঐ ট্রেনটিতে প্রায় এক হাজার যাত্রী ছিলেন, যাদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশিও ছিলেন। তবে কোনো বাংলাদেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি।
