চা শ্রমিক জনগোষ্ঠীর জন্য জুন মাসে ২০১৪-১৫ জাতীয় বাজেটে পৃথক বরাদ্দের দাবি উঠেছে। শুক্রবার কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর চা বাগানে উত্তরণ বাংলাদেশ-এর আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে সরকারের নিকট এ দাবি তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উত্তরণ বাংলাদেশ-এর সভাপতি অনুময় বর্মা জনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, অবহেলিত, নিরক্ষর, নিপীড়িত, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বঞ্চনার শিকার চা শ্রমিক জনগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ইত্যাদি সংরক্ষণে কালচারাল একাডেমী, সরকারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, মজুরি, ভূমিসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে। বৃষ্টিতে ভিজে, খালি পায়ে জোঁক, মশা, সাপসহ বিষাক্ত পোকা-মাকড়ের কামড় খেয়ে মাত্র ৬৯ টাকা মজুরিতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করে। চা বাগানের এই বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠী যাদের প্রত্যেকের ভাষা,সংস্কৃতি, আচার-আচরণ, ধর্মীয় রীতিনীতি, পূজা-উত্সব, বিবাহ প্রথা দেশের মূল ধারার জনগোষ্ঠী থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। অথচ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও জাতিসত্তা হিসেবে সরকার কোন স্বীকৃতি দেয়নি। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক অপূর্ব নারায়ণ, উত্তরণ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মোহন রবিদাস, সমাজ সেবক আহাদ মিয়া, সত্যনারায়ণ রাজভরসহ চা বাগানের ছাত্রছাত্রী ও সচেতন ব্যক্তিবর্গ।
