মুহা. তাজুল ইসলাম
বাংলাদেশ :তামিম ইকবাল দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান নাও করতে পারেন। সাকিবের করা কোনো কোনো বল ব্যাটসম্যানদের খেলতে সমস্যাও হতে পারে। অন্য কোনো দল না জিতলে, বাংলাদেশই বিশ্বকাপ জিতবে।
ভারত :বিরাট কোহলির মুখে সবসময় হাসি নাও থাকতে পারে। দলের কোনো ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করলে ব্যাট উঁচু করতে পারেন। উইকেটের পিছনে ধোনি কিপিং করবেন।
পাকিস্তান :মোহাম্মদ আমিরের বলে ভালো গতি থাকার সম্ভাবনা আছে। দলের অধিনায়ক সরফরাজ কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাঠের ভিতরে চিত্কার করে উঠতে পারেন। দল সব ম্যাচ জিততে নাও পারে।
অস্ট্রেলিয়া :ওয়ার্নার বা স্মিথ কোনো কোনো খেলায় ভালো করে বসতে পারেন। নাথান লায়নের স্পিন বল স্টার্কের পেস বলের তুলনায় আস্তে হতে পারে। ম্যাক্সওয়েল ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে বোলিংও করবেন।
শ্রীলঙ্কা :মালিঙ্গা মাঝেমধ্যে ওয়াইড বল করতে পারেন। ম্যাথুস প্রতি ম্যাচে সেঞ্চুরি নাও করতে পারেন। ফিল্ডিংয়ের সময় কোনো কোনো বল হাত থেকে ছুটে যেতে পারে।
ইংল্যান্ড :ইংল্যান্ড যেই ম্যাচে জিতবে, বিরোধী দল সেই ম্যাচে হেরে যাবে। বেন স্টোকস মাঝেমধ্যে ছয় মেরে বসতে পারেন। আদিল রশিদ স্পিন বলই করবেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ :ক্রিস গেইল ওপেনিংয়ে নামতে পারেন। কিমা রোচ কখনো কখনো বাউন্সার দিয়ে বসতে পারেন। হোল্ডার দলের হয়ে অধিনায়কত্ব করবেন।
সাউথ আফ্রিকা :আমলা ভালো না করলেও অন্য কেউ ভালো করে বসতে পারেন। কোনো কোনো ম্যাচে ইমরান তাহিরের বল খেলতে ব্যাটসম্যানদের সহজ নাও হতে পারে। রান আউটের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
নিউজিল্যান্ড :উইলিয়ামসন বড় ইনিংস খেললে একাধিক বাউন্ডারি মেরে বসতে পারেন। সাউদির জন্য প্রতিটি ম্যাচ সহজ নাও হতে পারে। কোনো কোনো ব্যাটসম্যান বোল্ড আউটের শিকার হতে পারেন।
আফগানিস্তান :রশিদ খানের বলে গুগলি থাকতে পারে। মোহাম্মদ শেহজাদকে কিপিংয়ের পাশাপাশি টপ অর্ডারে ব্যাটিংও করতে হতে পারে। দলকে মাঝেমধ্যে জিততে পারে।
