মন্দিরে সেবিকা খুনের ঘটনায় দেবর গ্রেফতার

আপডেট : ০৪ মে ২০১৪, ২১:১১
পলাশ উপজেলার দড়িহাওলাপাড়া গ্রামের দেবাইল মন্দিরে সাবিত্রী রানী দে নামে এক সেবিকার খুনের ঘটনায় গত শনিবার নিহতের দেবর সুকমলকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। জানা যায়, স্বামী সুধীর চন্দ্র দে মারা যাওয়ার পর সাবিত্রী স্বামীর অংশ থেকে ১১২ শতাংশ জমি ভাগে পান। কিছু দিন পূর্বে মনির নামে এক ব্যক্তি ৪৫ শতাংশ জমি বৃদ্ধার কাছ থেকে ১৯ লাখ টাকায় কিনে নেন। প্রাপ্ত টাকা থেকে ৯ লাখ টাকা দেনা পরিশোধ করে বাকি ১০ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা রাখেন। এনিয়ে সাবিত্রীর দেবর পরিমল ও শুকমলের সাথে মামলায় জড়িয়ে পড়েন। এ অবস্থায় বৃদ্ধা সাবিত্রী বোনের মেয়ে বিচিত্রার স্বামীর বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে সেবিকা হিসেবে কাজ করতেন। সে প্রতিদিনই বিচিত্রার বাড়ি থেকে দেবাইল রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে গিয়ে পূজা-অর্চনা করে বাড়ি ফিরে আসতেন। গত শুক্রবার সকালে সাবিত্রী মন্দিরে পূজা করতে গিয়ে আর বাড়ি ফিরেননি। সাবিত্রীর খোঁজে বিচিত্রা ছেলেকে মন্দিরে পাঠান। পরে সাবিত্রীর মৃতদেহ মন্দিরের বাথ রুমের পাশে পড়ে থাকতে দেখেন। এলাকাবাসী জানান, বৃদ্ধার বিক্রি করা ৪৫ শতাংশ জমির মূল্য কম করে হলেও এক কোটি টাকারও বেশি। এ ক্ষেত্রে মাত্র ১৯ লাখ টাকায় ৪৫ শতাংশ জমি বিক্রির ঘটনাও রহস্যজনক। পলাশ থানার ওসি (তদন্ত) সাইদুল হক ভুঁইয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জমি সংক্রান্ত বিষয় ও নিহতের ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা হাতিয়ে নেয়াকে কেন্দ্র করে মন্দিরের সেবায়েতকে খুন করা হয়েছে। এঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে পলাশ থানায় মামলা করেন।