রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রের কাছে বালিশ বিক্রি করার জন্য আবেদনপত্র

আপডেট : ২৫ মে ২০১৯, ১৮:৩৭

 

সুদিপ্ত কুমার নাগ

 

এক বালিশ ছয় হাজার টাকা, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ প্রকল্প

 

তথ্যসূত্র :দৈনিক ইত্তেফাক (২০ মে, ২০১৯)। এবার বালিশ বিক্রির জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট এক

হতভাগার আবেদনপত্রের নমুনা দেখে নেওয়া যাক—

বরাবর

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র,

রূপপুর, পাবনা।

 

বিষয় :আপনাদের কাছে স্বল্পমূল্যে বালিশ বিক্রি করার জন্য আবেদনপত্র।

 

জনাব,

পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, আপনারা একটি বালিশ কিনেছেন ৫,৯৫৭ টাকা দিয়ে। আর সেই বালিশ বিল্ডিংয়ের ওপরে ওঠাতে খরচ হয়েছে ৭৬০ টাকা। তার মানে একটা বালিশ কিনতে আপনারা খরচ করেছেন ৬,৭১৭ টাকা। আপনাদের খরচ কমানোর দায়িত্ব আমি নিতে চাই। আপনাদের এত টাকা খরচ করে বালিশ কেনা নিয়ে লোকজন ট্রল করুক, সেটা আমি চাই না! আমার কাছে শিমুল তুলার ভালো মানের বালিশ আছে, তবে বালিশগুলো থেকে মাঝে মাঝে তুলার বিচি বের হয়। আসল শিমুল তুলার বালিশ হলে এরকম হবেই! আমি এই বালিশে মাথা রেখেই হাই সিজিপিএ ও গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে ডেটিংয়ের স্বপ্ন দেখি কিন্তু কোনো কিছু বাস্তবে পরিণত হয় না! সামনে ঈদ, এজন্য অনেক খরচ হবে। তাই আমি আপনাদের কাছে আমার বালিশগুলো কমদামে বিক্রি করে ঈদের খরচ তুলতে চাই। এজন্য আপনাদের বেশি টাকা খরচ করতে হবে না। প্রত্যেকটা বালিশের জন্য মাত্র ২,৫০০ টাকা করে দিলেই হবে। এতেই আমি কোটিপতি হয়ে যাব।

অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনাদের পারমাণবিক বিদ্যুত্ প্রকল্পের কাছে প্রতিটি বালিশ মাত্র ২,৫০০ টাকায় বিক্রি করতে চাই। সুতরাং আপনারা আমার কাছ থেকে যথার্থ দামে বালিশ কিনে আমাকে কোটিপতি হওয়ার সুযোগ করে দিন।

 

বিনীত নিবেদক

সর্বদা গার্লফ্রেন্ড প্রত্যাশী ঘেনা-লেলপা নামে খ্যাত

পটকা ভাই