সময় ঘনিয়ে আসছে। এক মাসের কিছু বেশি সময় বাদেই শুরু হবে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আসর। আর শুধু ফুটবল সৌন্দর্য নয়, বিশ্বকাপ মানেই বিশাল এক সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন। এবারও তার ব্যতিক্রম হতে যাচ্ছে না। টুর্নামেন্টটিতে অংশ নিচ্ছেন মোট ৭৩৬ জন খেলোয়াড়। ৩২ দলের চাহিদাও নানা রকম। বিচিত্র সে সব চাহিদার চুম্বক অংশ ব্রাজিলিয়ান দৈনিক ল্যান্স পত্রিকা থেকে তুলে দেয়া হলো ইত্তেফাকের পাঠকদের জন্য।
ফ্রান্স
শক্ত সাবান দিয়ে গোসল করার অভ্যাস নেই ফরাসীদের। তাই প্রতিটি বাথরুমের জন্য তাদের তরল সাবান চাই। এছাড়া হোটেলের খাবারের তালিকাতেও কিছু পরিবর্তন আনার কথা বলেছে ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা।
পর্তুগাল
ইউরোপিয়ান দলটি চেয়েছে ছয়জন নিরাপত্তা কর্মী। এছাড়া সাও পাওলোর হোটেলের প্রতিটি রুমে ভিডিও গেমস খেলার বিশেষ ব্যবস্থা চেয়েছেন খেলোয়াড়রা।
উরুগুয়ে
শান্তিপ্রিয় উরুগুয়ের খেলোয়াড়রা ব্যস্ত নিজেদের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে। অনুশীলন ভেন্যুর চারপাশে লম্বা দেয়াল চাই তাদের। উত্সুক দর্শকদের ভিড়-ভাট্টাও এড়ানো চাই তাদের। হোটেলের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রটাও হওয়া চাই নিঃশব্দ!
আলজেরিয়া
আলজেরিয়ানদের হোটেলের প্রতিটি কক্ষেই চাই পবিত্র কোরআন শরীফ।
ইকুয়েডর
লাতিন আমেরিকান দেশটি ব্রাজিলে এসে পৌঁছাবে আগামী নয় জুন। তাদের বিশাল চাহিদার মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো—প্রতিদিন চাই এক ঝুড়ি ইকুয়েডরের কলা!
হন্ডুরাস
ছয়টি স্প্যানিশ ভাষা-ভাষী টেলিভিশন চ্যানেল চাই হন্ডুরাসের খেলোয়াড়দের। এর মধ্যে দুটি চ্যানেল তাদের নিজস্ব।
জাপান
জাপানের দরকার বিশেষ ধরনের এক বাথটাব। আমেরিকান-ইতালিয়ান প্রযুক্তিতে বানানো এই বাথটাবের নাম জাকুজ্জিস।
অস্ট্রেলিয়া
হোটেল কক্ষের কাছে দুটি বড় কফি-মেশিন দরকার অস্ট্রেলিয়ানদের। আর সাথে বিশ্বের নানা জায়গার সংবাদপত্রের চাহিদার কথাও জানিয়েছেন তারা।
সুইজারল্যান্ড
সুইজারল্যান্ড ফুটবল দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়ের হোটেল কক্ষে চাই সুইস টেলিভিশন চ্যানেল।
কোস্টারিকা
ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য বড় একটা ঘর; যেখানে থাকবে সোফা, টেলিভিশন ও ভিডিও গেমস খেলার ব্যবস্থা—এমন আয়েশি আবদারটা হলো কোস্টারিকান খেলোয়াড়দের।
সূত্র :ডেইলি ল্যান্স
