ক্যাটেকে পড়ছে বিদেশি শিক্ষার্থী

আপডেট : ০৭ মে ২০১৪, ২১:৪১
একটা সময় আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি দিত। এখন সময় বদলে গেছে। কিছু কিছু বিষয়ে পড়ালেখার জন্য এখন বিদেশি অনেক শিক্ষার্থীই পড়ালেখা করতে আসছে আমাদের দেশে। এমনই কিছু শিক্ষার্থীর মধ্যে রয়েছেন সুইজারল্যান্ডের রুরিন ফ্লিক্স, জার্মানির আর্নে মালশারোউইত্স ও নরওয়ের বার্ড ওয়ালেনটিনসেন। সম্প্রতি উত্তরা কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলোজি (ক্যাটেক) থেকে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন তারা। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী সহপাঠীদের সহযোগিতায় তারা মুগ্ধ। নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী বার্ড বাংলাদেশের সহপাঠীদের সম্পর্কে বলেন, ‘এখানকার শিক্ষার্থীদের যারা আমাদের বন্ধু হয়ে উঠেছে তাদের সাহায্য-সহযোগিতায় বাংলাদেশ সম্পর্কে আমাদের ধারণা পাল্টে গেছে। তারা দারুণ সহযোগী।’ রুরিন আর্নে ও বার্ডের কাছে বাংলাদেশ এখন পছন্দের জায়গায় পরিণত হয়েছে। জুরিখ ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুরিন আগে বাংলাদেশ সম্পর্কে খুব একটা জানতেন না। ইন্টারনেট থেকে যতটুকু জানতে পেরেছেন, তাতে খুব বেশি সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তবে বাংলাদেশে এসে তাদের সেই ধারণা পাল্টে গেছে। রুবিন বলেন, ‘যখন জানতে পারলাম আমি বাংলাদেশে পড়তে যাচ্ছি, তখন একটু দুচিন্তা হচ্ছিল। কিন্তু এখানে এসে আমাদের ধারণা পাল্টে গেছে। এখানকার মানুষ বেশ সহযোগী।’ এমন দুশ্চিন্তা ছিল আর্নেরও। তার ভাষ্যে, ‘হ্যাঁ, আমিও বেশ দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কারণ আমার দেশ থেকে আমি একা আসছি একটি অপরিচিত শহরে। এখানে কেমন হবে সহপাঠীরা বা কেমন সুবিধা পাব এসব সম্পর্কে ভালো ধারণা ছিল না। তবে এখন বেশ ভালো আছি। এখানে উড়োজাহাজেই ব্যবহারিক ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছি।’ তাদের সাথে আরও কথা বলে জানা যায় এডুকেশনাল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পড়তে এসেছে এই তিন শিক্ষার্থী। এখানে এখন টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করছে রুরিন। ০১৯৩৭১৮২৪৭০, ৮৯৯১৩৭১ নম্বরে ফোন করে ক্যাটেকের এডুকেশনাল এক্সচেঞ্জ এবং পড়ালেখা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। ক্যাটেকে অ্যারোনটিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আন্তর্জাতিক কারিকুলাম অনুসরণ করা হয়। যোগাযোগ :বাড়ি-১৪, রোড-২, সেক্টর-১১, উত্তরা, ঢাকা।