ভোলা জেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মনপুরা উপজেলায় গত বছর প্রবল জোয়ারে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে কয়েকটি গ্রাম তলিয়ে যায়। এ ঘটনার প্রায় ১০ মাস পার হলেও এখনও ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ নির্মাণের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে অমাবস্যা ও পূর্ণিমার জোয়ারে পানি প্রবেশ করে গ্রাম তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় জনগণের মধ্যে উত্কণ্ঠা বিরাজ করছে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ৪নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের সূর্যমুখী, তালতলা পূর্বপার্শ্বের ও বাতির খাল বেড়িবাঁধ প্রায় ১ কিলোমিটার ভাঙ্গা। এখনও ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ নির্মাণ বা নতুন করে নির্মাণের কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। ফলে ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে বর্ষা মৌসুমে অমাবশ্যা ও পূর্ণিমার সময় জোয়ারের পানি ভিতরে ঢুকে মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়বে। এতে কয়েকটি গ্রাম তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনের ফলে অনেকাংশে বেড়িবাঁধ হুমকির মুখে।
এব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান মিসেস শেলিনা আক্তার চৌধুরী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে দ্রুত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আবুল কালাম বলেন, নতুন ১৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ও পুনঃসংস্করণ প্রায় ৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজের টেন্ডার হয়ে গেছে। ওয়ার্কঅর্ডার পেলেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দ্রুত কাজ শুরু করবে বলে তিনি জানান।
