ঠাকুরগাঁওয়ে নানা জটিলতায় আগ্রহ হারাচ্ছে আখ চাষি

আপডেট : ০৮ মে ২০১৪, ২১:২৫
ঠাকুরগাঁওয়ে আখের আবাদ প্রতি বছর কমে যাচ্ছে। এখানকার মাটি আখ চাষের সহায়ক হলেও বাজার ব্যবস্থায় নানা জটিলতার কারণে আখ চাষের আগ্রহ হারাচ্ছে চাষিরা। সময়মতো আখের দাম না পাওয়া, ঘন ঘন আখের মড়ক, পাওয়ার ক্রেশারে আখ মাড়াই নিষিদ্ধ করা এবং কৃষি বিভাগের প্রণোদনা সুযোগ না থাকায় আগ্রহ হারাচ্ছে ঠাকুরগাঁও জেলার আখ চাষিরা। তবে কৃষি বিভাগ আখ চাষের পরিধি বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। গত তিন বছর ধরে নানা কারণে উত্সাহে ভাটা পড়ছে চাষিদের। ফলে আখ চাষের পরিধি ব্যাপকহারে কমে গেছে। আখ চাষের জায়গায় এখন কৃষকরা অন্য ফসল চাষ করছে। আখ চাষি আমিনুল ইসলাম জানান, ঠাকুরগাঁও সুগার মিলটি দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে রয়েছে। আখ উত্পাদন করে মিলে দিলে সময় মত টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই গত বছর থেকে আখের বদলে অন্য ফসল আবাদ করছি। ঠাকুরগাঁও চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আজিজ জানান, গত তিন বছরে মিলটি ৬০ কোটি টাকার লোকসান মাথায় নিয়ে মিলটি চালু রয়েছে। চিনি বিক্রি না হওয়ায় আখ চাষি ও মিলের শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করা যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের উপ-পরিচালক বেলায়েত হোসেন জানান, আখ চাষের উত্সাহ বাড়াতে কৃষকদের দেয়া হচ্ছে প্রণোদনা সুযোগসহ প্রশিক্ষণ। কৃষকদের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় সহায়তা কিভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়ে ভাবছেন তারা।