খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নের তের আউলিয়ার খাল নিয়ে স্থানীয় দুটি মত্স্য সমবায় সমিতির মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। দু’পক্ষই খাল ইজারা পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। উভয়পক্ষ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দরপত্র জমা দিয়েছেন।
জলমহাল ইজারা নীতিমালা অনুযায়ী, প্রকৃত মত্স্যজীবী সমবায় সমিতি ও খালের নিকটবর্তীদের অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা। কিন্তু খালের বর্তমান ইজারাদারদের ক্ষেত্রে সে নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি বলে প্রতিপক্ষের অভিযোগ। তারা নীতিমালা অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালটি ইজারা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও নীতিমালা উপেক্ষা করে পূর্বের ইজারাদাররা দখলে রেখে ভোগ দখল করছে। সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ৬৪.৮১ একর এ খালটি দশবাড়িয়া মত্স্যজীবী সমবায় সমিতির নামে তিন বছরের জন্য ইজারা গ্রহণ করেন। তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, দশবাড়ীয়া পাটুলিয়া মত্স্যজীবী সমিতি খাল থেকে দূরবর্তী এলাকায় এবং সমিতির অধিকাংশ সদস্য প্রকৃত মত্স্যজীবী নয়। অন্যদিকে মসজিদকুড় রুপালি মত্স্যজীবী সমবায় সমিতি খালের নিকটবর্তী ও সমিতির সকল সদস্য প্রকৃত মত্স্যজীবী। এ ব্যাপারে লিখিত একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে তা তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে স্থানীয় নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়।
এ ব্যাপারে কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামীম হাসান বলেন, ইজারা নিয়ে দু’পক্ষের অভিযোগ পাওয়ায় বিষয়টি তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে আমার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
