ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের হোস্টেল এক যুগেও নির্মাণ হয়নি

আপডেট : ১০ মে ২০১৪, ২২:০৭
ঈশ্বরদী মহিলা কলেজে ছাত্রী হোষ্টেল না থাকায় মেয়েদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণে চরম সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। গ্রামাঞ্চল হতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আবার বাড়ি ফিরে যাওয়া সম্ভব না হওয়ায় এসএসসি’র পরই এসব ছাত্রীদের লেখাপড়ার পথ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। ইচ্ছে ও মেধা থাকা সত্বেও শুধুমাত্র নিরাপদে থাকার জায়গার অভাবে গ্রামাঞ্চলের মেয়েরা উচ্চ শিক্ষার আলোকবর্তিকা নিয়ে এগিয়ে যেতে পারছে না। ১৯৮৮ সালে বেগম রওশন এরশাদ মহিলা কলেজ নামে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৯৯০ সালে গণঅভ্যুত্থানের পর এলাকাবাসী কলেজের নাম পরিবর্তন করে ঈশ্বরদী মহিলা কলেজ রাখেন। মাত্র ১৮ জন ছাত্রী নিয়ে পথচলা শুরু হলেও বর্তমানে এ কলেজের ছাত্রী সংখ্যা প্রায় সহস্রাধিক। ভাল ফলাফলের কারণে কলেজটি বোর্ডের শীর্ষ ২০ এবং পাবনা জেলায় মহিলা কলেজগুলোর মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে। কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক ছাড়াও স্নাতক পর্যায়ে বিএসসি, বিকম, বিএসএস এবং বিএ শ্রেণি এবং ৪টি বিষয়ে অনার্স কোর্সও রয়েছে। কিন্তু কলেজে ছাত্রী হোষ্টেল না থাকাকে বিশেষ সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২০০১ সালের ১৩ জানুয়ারি ঈশ্বরদী আলহাজ্ব হাই স্কুল মাঠের এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহিলা কলেজে ছাত্রী নিবাস নির্মাণ করা হবে বলে ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পত্র প্রেরণ করা হয়। এরমধ্যে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলে বাংলাদেশের রাজনীতির ধারাবাহিকতায় বিএনপি’র জোট সরকার শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। এদিকে শেখ হাসিনার সরকার পরবর্তীতে ক্ষমতাসীন হলেও ছাত্রী হোষ্টেল নির্মাণ শুধু প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।