নীলফামারীর সৈয়দপুরে খোলাবাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) কর্মসূচি হতদরিদ্রদের কোন উপকারে আসছে না। এ কার্যক্রমের ব্যাপারে সরকারিভাবে নেই তেমন কোন প্রচার-প্রচারণাও। ফলে যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকারের এ কার্যক্রম তা মূলত ভেস্তে যেতে বসেছে।
শহরের খোলাবাজারে চাল বিক্রির পয়েন্টগুলোতে সরেজমিনে ঘুরে কোন পয়েন্টে কোথাও তদারকি কর্মকর্তা’র উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। তদারকি কর্মকর্তার ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রত্যেক ডিলারেই প্রায় একই রকম জবাব দেন। তদারকি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন এই মাত্র নিজ অফিসে চলে গেলেন। শহরের রসুলপুর বার্মাসেল এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় লাল সালুতে লেখা ওএমএস ডিলার মো. গোলাজার হোসেনের দোকানের ব্যানার ঝুলছে। আসলে সেটি একটি চায়ের দোকান। কোন ক্রেতা নেই। শহরের কারখানা গেট এলাকা, রসুলপুর বার্মাসেল, চাউল মার্কেট, কাজীরহাট, দারুল উলুম মাদ্রাসা মোড় ও ক্যান্ট মার্কেটের ৬টি পয়েন্টে খোলাবাজারে চাল বিক্রির পয়েন্টগুলোতে গিয়ে প্রায় একই রকম চিত্র চোখে পড়ে।
সৈয়দপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মাহাবুব হাবিব হাসান জানান, সঠিকভাবে চাল বিক্রির ব্যাপারে যথারীতি তদারকি করা হচ্ছে। প্রতিটি পয়েন্টে একজন করে তদারকি কর্মকর্তা রয়েছেন।
