গাজীপুরে চেয়ারম্যান পদে বিএনপিতে একক, আওয়ামী লীগে একাধিক

আপডেট : ১১ মে ২০১৪, ২১:৪৮
আাাগমী ১৯ মে অনুষ্ঠিতব্য গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যন পদে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা জমজমাট হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে প্রার্থীদের পোস্টারে হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লা ও বিভিন্ন লোকালয় ছেয়ে গেছে। উপজেলার সর্বত্র বাড়ি বাড়ি হ্যান্ডবিল বিতরণের পাশাপাশি সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ এখন তুঙ্গে। শিল্প অধ্যুষিত মির্জাপুর, ভাওয়ালগড়, পিরোজালী ও বাড়িয়া ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত গাজীপুর সদর উপজেলায় এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত একজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও আওয়ামী লীগ থেকে ৪ জন ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মির্জাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। অপরদিকে আওয়ামী লীগ থেকে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রীনা পারভীন (আনারস), সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল লতিফ (মোটর সাইকেল), মির্জাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম (হেলিকপ্টার) ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আওয়ামী লীগ নেতা ইউসুফ মোঃ সেলিম রেজা (কাপ-পিরিচ) নিয়ে লড়ছেন। আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত না করায় চারজনই মাঠে রয়েছেন এবং তারা প্রত্যেকে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্মিলিত ইসলামিক পরিষদের ব্যানারে মুফতি নাসির উদ্দিন খান দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির একক প্রার্থী হওয়ায় অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে আবু তাহের মুসল্লি ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে হাসিনা সরকারকে বিএনপি সমর্থন দিয়েছে। একক প্রার্থী হিসেবে তারাও প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। অপর দিকে ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদেও আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এতে দলীয় নেতাকর্মীরা দ্বিধা বিভক্তি হয়ে পড়েছেন। কসবায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা জানান, জাতীয় পার্টি সমর্থিত কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী তারেক এ. আদেল ভোট কারচুপি ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগে নির্বাচন বর্জন করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন। তিনি প্রচারণাকালে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের মাদলা গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের জনসাধারণের দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। গুচ্ছগ্রাম এলাকায় প্রায় দেড় লাখ টাকা ব্যয়ে একটি গভীর নলকূপ ও একটি জেনারেটর স্থাপন করে তিনি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন।