বকশীগঞ্জে আনন্দ স্কুলে অনিয়মে ঝরে পড়েছে শিক্ষার্থী

আপডেট : ১১ মে ২০১৪, ২১:৪৮
উপবৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ, পোশাক এবং স্কুল ভবনের অভাবে বকশীগঞ্জ উপজেলায় আনন্দ স্কুলের প্রায় সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষার্থীর পড়ালেখা বন্ধ হয়ে গেছে। বকশীগঞ্জ উপজেলায় শিক্ষার হার বাড়াতে সরকার রস্ক প্রকল্পের আওতায় ২০১০ সালে আনন্দ স্কুলের কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিষ্ঠা হয় বকশীগঞ্জ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ৩০৭টি আনন্দ স্কুল। প্রতিটি স্কুলে ৩৫ জন করে ১০ হাজার ৭৪৫ জন শিক্ষার্থী আনন্দ স্কুলে ভর্তি হয়। কিন্তু সমাপনী পরীক্ষা দেবার জন্য অর্ধেকেরও কম শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। সাইন বোর্ড থাকলেও অধিকাংশ স্কুলের ভবন নেই। গোয়ালঘর বা রান্নাঘরে সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে বেতন ভাতা তুলছে শিক্ষকরা। প্রথম শ্রেণি থেকে ৩য় শ্রেণির ছাত্রছাত্রীর মাঝে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ ও পোশাক বিতরণের জন্য ৩ বছরে বরাদ্দ হয় প্রায় দেড় কোটি টাকা, উপবৃত্তি বরাদ্দ হয় প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা, ঘরভাড়ার জন্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা এবং শিক্ষক বেতনসহ চার বছরে মোট বরাদ্দ দেয় প্রায় ২৩ কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হলেও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ তাদের ভাগ্যে জুটেনি এই টাকা। বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরশাদ হোসেন খান বলেন, আমি এই উপজেলায় নবাগত। পর্যায়ক্রমে পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নিব।