ম্যাজিস্ট্রেট স্বামীর বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন

আপডেট : ১১ মে ২০১৪, ২১:৫০
প্রতারণা ও একাধিক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রথম স্ত্রী মারুফা খাতুন। ইডেন কলেজ থেকে মাস্টার্স ও এমবিএ ডিগ্রিধারী ব্যাংক কর্মকর্তা মারুফা খাতুন রবিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ২০১০ সালে সিরাজুল ইসলাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে চাকরি নিয়ে খুলনায় কর্মরত ছিলেন। এর মধ্যে উভয়ের সম্মতিতে ২০১১ সালের ডিসেম্বরে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহের পর থেকে যৌতুকের দাবির কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া লেগেই থাকত। এরই মধ্যে স্বামী পটুয়াখালী জেলার মীর্জাগঞ্জ উপজেলা আদালতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম তাকে না জানিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি গ্রামের মোস্তফা মো. আবুল কালাম আজাদের মেয়ে শামিমা সুলতানাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। শামিমার বাবা বিষয়টি জানতে পেরে ১৫ দিনের মধ্যে তার মেয়ের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটান। এরই মধ্যে সিরাজুল দেবহাটার গড়িয়াডাঙ্গা গ্রামের মজিদ মুন্সির মেয়ে রুমা আক্তারকে তৃতীয় স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করে বলে আমি জানতে পেরেছি। এদিকে স্বামী সিরাজুলের বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে মামলা করি। মামলাটি দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার নিকট তদন্ত দেন আদালত। তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। যেহেতু আসামি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাই সাতক্ষীরা আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটরা বিষয়টি নিয়ে গড়িমসি করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।