দীর্ঘদিন ধরে মশার কামড় খেয়ে বুঝতে পেরেছি, এরা অত্যধিক চালাক। এরা মানুষের সম্মুখ থেকে লাগে না। পেছনে পিঠে বসে রক্ত চুষে খায়। এরা নিশ্চয়ই দেখতে পায় মানুষের চোখ কোথায়। যখন কেউ মশা মারার ব্যাট নিয়ে বসে থাকে তখন মশা আর আসে না। কোনো কাজ নিয়ে মগ্ন হলে ঠিক তখনই মশা পিঠে গিয়ে বসে। এদিকে মশা নিধনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ কত না ওষুধ ছিটালো। তবু কাজ হলো না। একথা শুনে এক বৃদ্ধ বললেন, রাখেন, আপনার মশা মারার ওষুধ-টষুধ— ওতে কাজ হয় না। ওরা ওষুধ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যে রাখে। দেখেন গিয়ে ওদের ট্রেনিং সেন্টার আছে, সেখানে ওরা ট্রেনিং দিচ্ছে মানুষের রক্ত কীভাবে চুষে খাওয়া যায়। সিটি কর্পোরেশন বলেন আর সংশ্লিষ্ট বিভাগ বলেন এদের কারোই ক্ষমতা নেই মশা নিধনের। তাদের আর অনুরোধ-টনুরোধ করবেন না মথা নিধনের ওষুধ ছিটাতে। মশার কামড় থেকে রক্ষা করার মালিক উপরওয়ালা। তাকে ডাকার মতো ডাকুন— দেখবেন মশা নিধন হলেও হতে পারে!
লিয়াকত হোসেন খোকন,
বাসা-৭, সড়ক-২৭,
রূপনগর আবাসিক এলাকা,
ঢাকা ১২১৬
