উপজেলার বারইখালী মানিক মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি তিন-চার বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এছাড়া বিকল্প শ্রেণিকক্ষের টিনও ঝড়ে উড়ে গেছে। ফলে এখন ক্লাশ চলছে রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে। ৫ম শ্রেণির ছাত্রী অনিকা রহমান সিনথিয়া বলেন, বিদ্যালয়ের দরজা-জানালা ভেঙ্গে গেছে। প্রতিটি কক্ষের পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে। পিলারগুলোর অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। বাথরুম লেট্রিন বহু আগেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গেছে। এ অবস্থার মধ্যেও ঝুঁকি নিয়ে বারান্দায় ক্লাশ করতে বাধ্য হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। এনিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবরে আবেদন করে মেলেছে ৩ বাণ্ডিল ঢেউটিন ও নগদ ৮ হাজার টাকা। স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে বিদ্যালয়ের মাঠে টিনের ছাপড়া দিয়ে নির্মাণ করা হয় বিকল্প পাঠদান কক্ষ। সেখানে প্রচণ্ড তাপদহ ও বৃষ্টির ঝাঁপটায় ভিজে ক্লাশ করতে হয় শিক্ষার্থীদের। সম্প্রতি এক কাল বৈশাখী ঝড়ে বিকল্প শ্রেণিকক্ষের টিন ঝড়ে উড়ে গেছে। এখন তাদের রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ক্লাশ করতে হয়। আবার কখনো মেঘ-বৃষ্টিতে বাজাতে হয় ছুটির ঘণ্টা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম হাওলাদার জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু কোন ফল হয়নি। অনতিবিলম্বে বিদ্যালয়টি পুনঃনির্মাণ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য সরকারের প্রতি আবেদন জানান বিদ্যালয়ের সভাপতি মিজানুর রহমান বিপু মেম্বর ।
