রায়পুরা উপজেলার চরাঞ্চলের বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গতকাল সোমবার আটক ২১ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। রায়পুরা থানা পুলিশ রবিবার অভিযান চালিয়ে ৭০টি টেটাসহ ২৩ জনকে আটক করে।
অপরদিকে আটককৃতদের মধ্যে সেলিম মিয়া (২৪) ও জালাল মিয়া (৫৫)-এর নিকট থেকে ৭০টি টেটা উদ্ধার করায় তাদেরকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মতিন।
এ ঘটনার পর বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত চরমেঘনা, বালুয়াকান্দি ও কান্দাপাড়া গ্রামের হাজারো নারী-পুরুষ আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। এদের অনেককেই এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে দেখা গেছে।
রায়পুরা উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বাঁশগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল হক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান সাহেদের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।
গত রবিবার সাহেদ সমর্থকদের শতাধিক বাড়ী-ঘরে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে সিরাজুল হক সমর্থক সহস্রাধিক লোক। এতে অন্তত একশ বাড়ী-ঘর ভাংচুর এবং নূরু মিয়া, মঙ্গল মেম্বার, নূরী মিয়ারসহ ৪ বাড়ীতে অগ্নিসংযোগ করে তারা। এসময় ১০ জন টেটাবিদ্ধসহ আহত হয় অন্তত ২০ জন। এ ব্যাপারে রায়পুরা থানার ওসি মাহমুদ ইসলাম বলেন, পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
